
‘ইনভেস্টর’ নেই, তাই টুকটাক প্রচার
এই আসনে প্রার্থী ১১ জন। বিএনপি ও জামায়াতের বাইরে অন্য প্রার্থীদের তেমন প্রচার–প্রচারণা নেই।

এই আসনে প্রার্থী ১১ জন। বিএনপি ও জামায়াতের বাইরে অন্য প্রার্থীদের তেমন প্রচার–প্রচারণা নেই।

নোয়াখালী–২ আসনে বিএনপির বিদ্রোহী (স্বতন্ত্র) প্রার্থী কাজী মফিজুর রহমানের নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। কাজী মফিজুর রহমানের অভিযোগ, হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় বিএনপির স্থানীয় নেতা–কর্মীরা জড়িত। আজ রোববার বেলা ১১টার দিকে সোনাইমুড়ী উপজেলার বারগাঁও ইউনিয়নের ভোরের বাজারে এ ঘটনা ঘটে।

পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনের প্রার্থী নুরুল হক নুর এবং বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত বিদ্রোহী প্রার্থী হাসান মামুনের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

নির্বাচনের ব্যানার টানানোকে কেন্দ্র করে নীলফামারীর জলঢাকায় বিএনপি ও জামায়াত প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে কথা–কাটাকাটি ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে।

একই আসনে বিএনপির আরেক প্রার্থী মো. মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া। হাইকোর্টের আদেশে ‘ধানের শীষ’ প্রতীক বরাদ্দসহ তাঁর নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পথ খোলে।

মনিরামপুর উপজেলা নিয়ে যশোর-৫ আসন। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসনে মোট ছয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের (একাংশ) সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রশীদ আহমাদ।

নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনে এনসিপি প্রার্থী আবদুল হান্নান মাসউদের পথসভায় যাওয়ার পথে ঢিল ছুড়ে দুজনকে আহত করার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে হাতিয়া উপজেলার তমরদ্দি ইউনিয়নের তালতলা বাজারে এ ঘটনা ঘটে। আহত ব্যক্তিরা হলেন ওই এলাকার মো. দিদার উদ্দিন, মো. তসলিম হোসেন।

প্রার্থীরা উন্নয়নের নানা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। কিন্তু ভোটারদের মনে উন্নয়নের চেয়ে বেশি চিন্তা এ অঞ্চলের স্থিতিশীলতা নিয়ে।

পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনের নির্বাচনী এলাকায় সম্ভাব্য সংঘাত এড়াতে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের প্রার্থী নুরুল হক নুর ও বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী হাসান মামুনের একাধিক নির্বাচনী কর্মসূচিতে সীমাবদ্ধতা আরোপ করেছে প্রশাসন।

সিলেট-৫ (জকিগঞ্জ ও কানাইঘাট) আসনে বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী মামুনুর রশীদের পক্ষে কাজ করায় দলটির ৯ নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট মনোনীত প্রার্থী ও জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের প্রার্থী মুফতি মনির হোসেন কাসেমী একটি স্কুলের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে অতিথি হয়ে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন।

প্রার্থীরা প্রতিপক্ষকে মোকাবিলার পাশাপাশি দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন, বিভিন্ন জনকল্যাণমুখী কাজের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন, ভোটারদের কাছে ভোট চাইছেন, সবার কাছ থেকে দোয়া চাচ্ছেন।