
ঘুরে এলাম নুরেমবার্গ ট্রায়াল
নুরেমবার্গ ট্রায়াল, বাংলায় যাকে বলা হয় ‘নুরেমবার্গ বিচার’। জার্মান ভাষায় নুরেমবার্গ ট্রায়াল হচ্ছে পৃথিবীর ইতিহাসে একটি ঐতিহাসিক বিচারিক কার্যক্রম।

নুরেমবার্গ ট্রায়াল, বাংলায় যাকে বলা হয় ‘নুরেমবার্গ বিচার’। জার্মান ভাষায় নুরেমবার্গ ট্রায়াল হচ্ছে পৃথিবীর ইতিহাসে একটি ঐতিহাসিক বিচারিক কার্যক্রম।

অধ্যাপক ড. লুইজা বুরুনরির আমন্ত্রণে ২০২২ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর ইতালির উদ্দেশে যাত্রা শুরু করি। জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্ট থেকে বের হয়ে প্রচণ্ড শীত উপেক্ষা করে কোবলেঞ্জ হয়ে পৌঁছে যাই ফ্রাঙ্কফুর্ট-হান বিমানবন্দরে। সেখান থেকে যাত্রা ইতালির দিকে—প্রথম গন্তব্য মিলান, এরপর ভোলোগনায়

জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় টোকিওস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে।

সে প্রায় ৪২ বছর আগের কথা। আজ কেন জানি বারবার মন ফিরে যেতে চায় সেই ছোটবেলার দিনগুলোতে। সব স্বপ্ন, সব স্মৃতি ছেড়ে এসেছি, অনেক কিছু ভুলেছি।

কানাডায় আশ্রয় আবেদনের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমছে। সরকারি তথ্যানুযায়ী, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে নভেম্বর পর্যন্ত আগের বছরের তুলনায় আবেদন কমেছে ৩৩ শতাংশ।

এই মামিই হচ্ছেন সেই মামি, যাঁকে ইতিহাস হিসেবে দেখি। দৃষ্টান্ত হয়ে থাকার মতো, কেবল অভিবাসীই নয়, সবার প্রেরণা পাওয়ার মতো ইতিহাস। ৩০ বছরের বেশি সময় ধরে মার্কিন স্বাস্থ্যসেবায় নিয়োজিত ডা. আসমা আহমেদ একই সঙ্গে হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা ও রোগীদের সেবায় পারদর্শিতা দেখিয়ে বিশেষ সুনাম অর্জন করেছেন।

আবার আমাকে ছাড়া নানি থাকতেও পারতেন না, প্রতি রাতে নানি আমাকে ডেকে নিতেন নিজের কাছে। এসব চক্রে যারা বড় হয়নি, যারা জন্মেই নিজেদের বেডরুম পেয়েছে, তারা কি আকুল হয়ে আমার মতো ফেলে আসা শিশুকালের জন্য কাঁদে কখনো?

কান্নাকাটি করলেই বলতেন আমার মেয়ের মনোবলে এত কম হলে হবে? তারপর জীবনের কত চড়াই–উতরাই গেল। দুটো বাবু নিয়ে আলাদা জীবন যাপন শুরু করলাম। ফোনে শুধু শুনতাম, মা তুমি পারবে, আল্লাহর ওপর ভরসা রাখো, তোমার দায়িত্ব আমার নানুদের সুন্দর করে মানুষ করা।

কেরামতের জন্ম হয়েছিল দারিদ্র্যের ভেতর, কিন্তু সে দারিদ্র্যকে কখনো ক্ষমা করেনি। প্রথম খুন করেছিল বিশ বছর বয়সে। সেদিন রাতে সে বমি করেছিল অনেক। এখন আর করে না।

হাজার নদী পেরিয়ে সেই ঐতিহ্যই এবার জায়গা করে নিল সুদূর জার্মানির ফ্রাংকফুর্ট শহরে, হয়ে উঠল প্রবাসে বেড়ে ওঠা বাঙালির স্মৃতি ও নস্টালজিয়ার জীবন্ত প্রতিচ্ছবি।

সাধারণত এসব গল্পের কথক হয়ে থাকেন নারী, অর্থাৎ মা-খালা-ফুফু ও দাদি-নানি। মজার ব্যাপার হলো, আমার ক্ষেত্রে গল্প শোনানো মানুষটি ছিলেন আমার বাবা।

আজ আমরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে মানুষের চিন্তা অনুকরণ করছি, মঙ্গলগ্রহে বসতি গড়ার স্বপ্ন দেখি, অথচ পৃথিবীর অধিকাংশ মানুষ এখনো ভোট দিয়ে ক্ষমতা বদলাতে পারে না। প্রযুক্তি উড়ছে, গণতন্ত্র হাঁটছে, আর মানবাধিকার অনেক জায়গায় এখনো হামাগুড়ি দিচ্ছে।