
সুন্দরবনে হরিণ শিকারে পাতা হচ্ছে চার ধরনের ফাঁদ, বাঘের নতুন বিপদ
চোরা শিকারিদের পাতা হরিণ শিকারের ফাঁদে বাড়ছে সুন্দরবনের বাঘের ঝুঁকি। নষ্ট হতে পারে খাদ্যশৃঙ্খল।

চোরা শিকারিদের পাতা হরিণ শিকারের ফাঁদে বাড়ছে সুন্দরবনের বাঘের ঝুঁকি। নষ্ট হতে পারে খাদ্যশৃঙ্খল।

প্যাঁচাটিকে আমাদের সুন্দরবনেও দেখা যায়। জীবনে এতবার সুন্দরবন গিয়েছি অথচ কখনোই তার দেখা পাইনি।

গলায় এক ফোঁটা পানিও পড়েনি। তেষ্টায় গলা ফেটে যাচ্ছিল। শীতের মধ্যে পাতলা কাপড়েই রাত কেটে গেল।

গোয়েন্দা তথ্য, ড্রোন নজরদারি ও আর্থিক লেনদেনের তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে টানা ৪৮ ঘণ্টা অভিযান চালিয়ে জিম্মি পর্যটক ও রিসোর্টের মালিককে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়।

সুন্দরবনে দুই পর্যটক, রিসোর্টমালিকসহ তিনজনকে অপহরণের ঘটনায় দস্যুবাহিনীর প্রধানসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে কোস্টগার্ড।

সুন্দরবনে হরিণশিকারিদের পাতা ফাঁদে আটকে আহত হওয়া বাঘিনীটি এখনো পুরোপুরি শঙ্কামুক্ত নয়। বাঘিনীটি খাদ্যগ্রহণ শুরু করায় ও আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে হুংকার দেওয়ায় ধীরে ধীরে উন্নতির দিকে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা।

হরিণ শিকারের জন্য পাতা ছিটকে ফাঁদে কোনো প্রাণী আটকে যাওয়ার পর যত বেশি নড়াচড়া করা হয়, ফাঁদ তত কষে যায়।

সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের ঢাংমারী স্টেশনের ঘাগরামারী টহল ফাঁড়িসংলগ্ন কেনুয়ার খালে অপহরণের এ ঘটনা ঘটে।

সুন্দরবনে ফাঁদে আটকা বাঘ উদ্ধারের পর নিয়ে যাওয়ার সময় উৎসুক জনতার বাধার মুখে পড়ে বন বিভাগ। সবাই ভিডিও করা ও ছবি তোলার জন্য হুড়োহুড়ি শুরু করে।

মোংলার বৈদ্ধমারী ও জয়মনি এলাকার মাঝামাঝি শরকির খালপাড়ে সুন্দরবনে হরিণ শিকারের ফাঁদে বাঘটি আটকা পড়েছে।

খুলনার দাকোপ উপজেলার একটি রিসোর্টের মালিক (পরিচালক) ও দুই পর্যটককে অপহরণ করেছে বনদস্যুরা। একটি ডিঙিনৌকা নিয়ে সুন্দরবনের ভেতরে ঘুরতে গিয়ে বনদস্যুদের কবলে পড়েন তাঁরা।