
হাম–রুবেলা প্রতিরোধে রাজধানীর ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় কাজ করছে আইদেশি
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৭, ৮ ও ১৭ নম্বর ওয়ার্ড এবং দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের জোন-৩–এর ছয়টি ওয়ার্ডে বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম চলছে।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৭, ৮ ও ১৭ নম্বর ওয়ার্ড এবং দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের জোন-৩–এর ছয়টি ওয়ার্ডে বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম চলছে।

ইউনিসেফ বাংলাদেশ ও মুক্তকণ্ঠের উদ্যোগে ‘হাম-রুবেলা টিকা কার্যক্রম ২০২৬ পর্যালোচনা ও সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি শক্তিশালীকরণ’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় ৬ মে ঢাকার মুক্তকণ্ঠ কার্যালয়ে।

বান্দরবানের আলীকদমে হাম-রুবেলা টিকাদানে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে ৮ হাজার ৪ শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে। জেলায় ৯৮ শতাংশ অর্জন সত্ত্বেও হামের রোগী বাড়ছে। সিভিল সার্জন শাহীন হোসাইন চৌধুরী সংবাদ সম্মেলনে তথ্য দিয়েছেন।

হাম-রুবেলাসহ ১০ ধরনের টিকার চালান দেশে এল

স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বিমানবন্দরে উপস্থিত থেকে টিকার এই চালান গ্রহণ করেন।

আজ ২০ এপ্রিল থেকে দেশজুড়ে হাম-রুবেলা (এমআর) টিকাদান কর্মসূচি শুরু করেছে সরকার।

কর্মসূচির আওতায় ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ৫৪০টি কেন্দ্রে শুরু হয়েছে জরুরি হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৬। ৪ লাখের বেশি শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যে ১১ মে পর্যন্ত চলবে এ কার্যক্রম। স্বাস্থ্যমন্ত্রী উদ্বোধন করেন।

দেশে হামের প্রাদুর্ভাবের মধ্যে শিশুদের আরেক ছোঁয়াচে রোগ রুবেলা নিয়ে সতর্কতা। এর লক্ষণ, ছড়িয়ে পড়ার উপায়, চিকিৎসা ও টিকার বিষয়ে জানুন বিস্তারিত। গর্ভাবস্থায় সংক্রমণ হলে শিশুর জন্মত্রুটির ঝুঁকি থাকে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন, গত সাড়ে পাঁচ বছর হাম-রুবেলার বিশেষ টিকা কর্মসূচি হয়নি। পূর্ববর্তী সরকারগুলোর ব্যর্থতার কারণে হামের প্রাদুর্ভাব বেড়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। সরকার জরুরি টিকাদান ও হাসপাতালে সুবিধা বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে।

হাম ও রুবেলাকে অনেকে একই মনে করেন, কিন্তু এদের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য রয়েছে। রুবেলার লক্ষণ মৃদু হলেও গর্ভবতী নারীদের জন্য এটি মারাত্মক। প্রতিরোধে এমআর বা এমএমআর টিকাই সবচেয়ে কার্যকর।

সারা দেশের ১৮ জেলার ৩০ উপজেলায় আজ রোববার হাম–রুবেলার জাতীয় টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন নবাবগঞ্জ থেকে এর উদ্বোধন ঘোষণা করেন এবং বিগত সরকারের অবহেলার কথা উল্লেখ করেন।