
১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারে দাম কমল ৩৫৭ টাকা
১২ কেজি এলপিজিতে দাম কমল ৩৫৭ টাকা

১২ কেজি এলপিজিতে দাম কমল ৩৫৭ টাকা

বাজারে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারে দাম কমেছে ৩৫৭ টাকা।

দেশে নতুন এলপিজি ব্যবহার মধ্যবিত্তের পকেটে টান ফেলছে। সিলিন্ডারের দাম এখন প্রায় দ্বিগুণ। বাড়তি খরচের কারণে এই জ্বালানির চাহিদা কমছে।

ভোক্তাপর্যায়ে বেসরকারি খাতের তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম কমেছে।

স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা বলেছেন, এলপিজি সিলিন্ডারের সরকার–নির্ধারিত দাম ১ হাজার ৯৪০ টাকা হলেও ২ হাজার ২০০ টাকা নিচে সিলিন্ডার পাওয়া যায় না।

রাতারাতি জ্বালানি তেল ও এলপিজি গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধি করায় জীবন-জীবিকায় নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

আজ নতুন দাম ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। নতুন দাম আজ রোববার সন্ধ্যা ৬টা থেকে কার্যকর হবে।

সরকারি দামে কেউ সিলিন্ডার বিক্রি করছেন না। ২ এপ্রিল বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) নতুন দাম ঘোষণা করে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সরকার নির্ধারিত ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৭২৮ টাকা হলেও খুচরা বাজারে ১৯০০ থেকে ২০০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এক মাসে দাম বেড়েছে ৪৫০-৫৫০ টাকা। পরিবেশকরা কোম্পানির বেসরকারি দামের অভিযোগ তুলেছেন।

এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এলওএবি) সরকার নির্ধারিত দামে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রির আহ্বান জানিয়েছে সব পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতাদের। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বাড়তি দামে বিক্রি বন্ধে আইনানুগ ব্যবস্থার নির্দেশ দিয়েছে। গত বৃহস্পতিবার বিইআরসি এলপিজির দাম বাড়িয়েছে।

বাজারে সোনালি মুরগির দাম ৫২% বেড়ে ৪২০-৪৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। চিনি, সয়াবিন তেল, সবজির দামও চড়েছে। ঈদের পর সাধারণত দাম কমলেও এবার উল্টো চিত্র দেখা দিয়েছে।

জ্বালানি সংকটে রাজধানীতে গাড়ি ও মোটরসাইকেল এলপিজি-সিএনজিতে রূপান্তর বেড়েছে। চাহিদা ২০-৩০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, তবে এলপিজির দামবৃদ্ধি নতুন শঙ্কা তৈরি করেছে। বিইআরসি দাম নির্ধারণ করেছে লিটারে ৭৯ টাকা ৭৭ পয়সা।