
হাসিনোমিকসের ভ্রান্তির পে কমিশন আর্থিক সংকটকে ঘনীভূত করবে
বাংলাদেশের অর্থনীতি আজ একটি অস্বস্তিকর বাস্তবতার মুখোমুখি। আয়ের তুলনায় জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়ছে লাগামহীনভাবে। ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসাগুলো টিকে থাকার অন্তহীন সংগ্রামে ব্যস্ত।
মতামত ও বিশ্লেষণ

বাংলাদেশের অর্থনীতি আজ একটি অস্বস্তিকর বাস্তবতার মুখোমুখি। আয়ের তুলনায় জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়ছে লাগামহীনভাবে। ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসাগুলো টিকে থাকার অন্তহীন সংগ্রামে ব্যস্ত।

২৭ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে নেওয়া প্যারিস জলবায়ু চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যাহার আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হবে।

আলী রীয়াজ প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (উপদেষ্টা পদমর্যাদা)। যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটির ডিস্টিংগুইশড অধ্যাপক।

বিষয়টিকে কেবল শিক্ষার্থী ও শিক্ষকের মধ্যকার টানাপোড়েন কিংবা রাজনৈতিক দর্শনের বিভেদ হিসেবে দেখা যাবে না, বরং বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থায় যে দীর্ঘ রাজনৈতিকীকরণের প্রক্রিয়া চলমান, সেটাই দায়ী বলে বলা যায়।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় প্রায় শেষ হয়ে এল। প্রায় দেড় বছরের শাসন শেষ হওয়ার পর এখন তাদের কিছু প্রাথমিক মূল্যায়ন করা যেতে পারে। গত দেড় বছরে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বেশ কিছু বড় বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

শুক্রবার বাগেরহাট সদর উপজেলার সাবেকডাঙ্গা গ্রামের নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগ নেতা জুয়েল হাসানের স্ত্রী কানিজ সুবর্ণার (২২) ও তাঁর ৯ মাস বয়সী ছেলে সেজাদ হাসানের নিথর দেহের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর শুধু ভাবছি, সেজাদরা আমাদের ক্ষমা করে দেবে তো?

বাংলাদেশে অর্থনীতির আয়তন ক্রমে বড় হচ্ছে। বাজেটের আয়তন বাড়ছে। ৫৪ বছরে অবকাঠামোগত উন্নয়নও অনেক হয়েছে; কিন্তু সমাজে আয়বৈষম্য ও ধনবৈষম্য ব্যাপক এখানে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যে শান্তিপূর্ণ ও প্রতিযোগিতাপূর্ণ প্রচার লক্ষ করা যাচ্ছে, সেটি গণতন্ত্রের জন্য ইতিবাচক বলেই আমরা মনে করি।

জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত এখন আর কোনো তাত্ত্বিক আলোচনা নয়, বরং বাংলাদেশের প্রান্তিক জনপদে এটি এক রূঢ় বাস্তবতা।

হিজবুল্লাহ নেতা হাসান নাসরুল্লাহ এসডিএফকে সঠিকভাবেই সতর্ক করেছিলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র কখন, কাকে বিক্রি করে দেবে—আপনি তা জানেন না।’

একজন মানুষ যদি পাঁচ বছর ধরে কোনো বিচার ছাড়াই জেলে থাকেন, সেটি কি স্বাভাবিক? সুপ্রিম কোর্ট যদি তাঁকে জামিন না দিয়ে আরও এক বছর অপেক্ষা করতে বলে, তাহলে কি সেখানে কোনো সমস্যা নেই।

বাংলাদেশে গণতন্ত্রকে শিকড় গাড়তে দিতে হলে আমাদের দরকার একের পর এক শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তর, যেখানে কোনো রকম বিচ্যুতির লেশমাত্রও থাকবে না।