
সেন্ট মার্টিন দ্বীপে শেষ হলো ভ্রমণের সময়সীমা, দুই মাসে গেলেন কত পর্যটক
সেন্ট মার্টিনে দুই মাসে ভ্রমণে গেলেন ১ লাখ ১৭ হাজার পর্যটক।

সেন্ট মার্টিনে দুই মাসে ভ্রমণে গেলেন ১ লাখ ১৭ হাজার পর্যটক।

এক যুগের বেশি সময় ধরে দ্বীপটির সাগরতলের জীববৈচিত্র্যের ছবি তুলছেন এই আন্ডারওয়াটার ফটোগ্রাফার ও ডাইভমাস্টার। তাঁর কাছ থেকে শুনুন এবারের অভিজ্ঞতা।

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের আধার বাংলাদেশের একমাত্র প্রবালসমৃদ্ধ দ্বীপ সেন্ট মার্টিন। পর্যটকদের কাছে অন্যতম পছন্দের গন্তব্য এ দ্বীপ। একসময় অনিয়ন্ত্রিত ও অবাধ পর্যটনের সুযোগ থাকলেও ২০২৪ সাল থেকে সরকার এখানে পর্যটন নিয়ন্ত্রণ ও সীমিতকরণ করেছে। মূলত পরিবেশ সংকটাপন্ন এলাকা হিসেবে সেন্ট মার্টিন দ্বীপের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের সংরক্ষণ ও দূষণ রোধের জন্য সরকার নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।

কক্সবাজারের টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ সৈকত থেকে সেন্ট মার্টিন দ্বীপ। ১৬ দশমিক ১ কিলোমিটার এই সাগরপথকে বলা হয় ‘বাংলা চ্যানেল’। এবার এই বাংলা চ্যানেল পাড়ি দেবেন দুই নারীসহ দেশের ৩৭ সাঁতারু।

৩২ বছর আগের সিনেমায় দেখা সেন্ট মার্টিন কতটুকু বদলে গেছে।

সেন্ট মার্টিনে পর্যটন এলাকা সীমিত হবে

সেন্ট মার্টিন সংরক্ষণে করা খসড়া মহাপরিকল্পনায় এ দ্বীপের চার কিলোমিটারের মধ্যে পর্যটকদের চলাচল সীমিত করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

দেশের একমাত্র প্রবালসমৃদ্ধ পাথুরে দ্বীপ সেন্ট মার্টিনকে রক্ষা করতে সরকার নানা উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ। তিনি বলেন, ‘বারবিকিউ, লেজার শো করার জন্য ঢাকাসহ বিভিন্ন জায়গা আছে। এসব আনন্দ-ফুর্তি করার জন্য পর্যটকেরা সেন্ট মার্টিন দ্বীপে যাবেন কেন? ব্যবসার নামে সেন্ট মার্টিনে আর ধ্বংসযজ্ঞ চালানো যাবে না।’

সরকার এ মুহূর্তে সেন্ট মার্টিনের হারিয়ে যাওয়া জীববৈচিত্র্য পুনরুদ্ধারে জোর দিচ্ছে।