
জামিনে মুক্তি পেয়ে সেই ছাত্রলীগ নেতা বাগেরহাটে, জেলারের বিরুদ্ধে ঘুষ চাওয়ার অভিযোগ
জামিনে মুক্তি পেয়ে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের নেতা জুয়েল হাসান (সাদ্দাম) বাগেরহাটের জেলারের বিরুদ্ধে ‘ঘুষ চাওয়ার’ অভিযোগ তুলেছেন।

জামিনে মুক্তি পেয়ে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের নেতা জুয়েল হাসান (সাদ্দাম) বাগেরহাটের জেলারের বিরুদ্ধে ‘ঘুষ চাওয়ার’ অভিযোগ তুলেছেন।

স্ত্রী-সন্তানের মৃত্যুর চার দিন পর যশোর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের বাগেরহাটের নেতা জুয়েল হাসান (সাদ্দাম)। আজ বুধবার বেলা দুইটার দিকে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি।

বাগেরহাট সদর উপজেলা ছাত্রলীগের (নিষিদ্ধঘোষিত) সভাপতি জুয়েল হাসান ওরফে সাদ্দামের জামিনের খবরেও কোনো উচ্ছ্বাস নেই পরিবারে।

স্ত্রী–সন্তান হারানো ছাত্রলীগের সাদ্দাম জামিন পেলেন

বিবৃতিতে বিশিষ্ট নাগরিকেরা বলেন, ‘সাদ্দাম কোনো ফাঁসির আসামি ছিলেন না, যে তাঁকে প্যারোলে মুক্তি দিলে অনেক ভয়ের কারণ হতে পারে।’

সন্ত্রাসবিরোধী আইনের এক মামলায় ছাত্রলীগের (নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন) বাগেরহাট সদর উপজেলার সভাপতি জুয়েল হাসান ওরফে সাদ্দামকে ছয় মাসের অন্তবর্তীকালীন জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।

স্ত্রী-সন্তানের মৃত্যুর পরও সাদ্দামকে কারাগার থেকে প্যারোলে মুক্তি না দেওয়া নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ সবখানে আলোচনা-সমালোচনা চলছে। তবে যশোরের জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সাদ্দামের প্যারোলের জন্য কোনো আবেদনই করা হয়নি।

ছাত্রলীগের নেতা জুয়েল হাসান ওরফে সাদ্দামের প্যারোল ইস্যুতে সমালোচনা।

যশোরে বন্দী বাগেরহাটের ছাত্রলীগ নেতা জুয়েল হাসান সাদ্দামকে স্ত্রী-সন্তানের জানাজায় অংশ নিতে প্যারোলে মুক্তি না দেওয়ার পর তা নিয়ে চলছে আলোচনা।

শুক্রবার বাগেরহাট সদর উপজেলার সাবেকডাঙ্গা গ্রামের নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগ নেতা জুয়েল হাসানের স্ত্রী কানিজ সুবর্ণার (২২) ও তাঁর ৯ মাস বয়সী ছেলে সেজাদ হাসানের নিথর দেহের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর শুধু ভাবছি, সেজাদরা আমাদের ক্ষমা করে দেবে তো?

ছাত্রদল শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) নির্বাচন বন্ধে ‘প্রকাশ্য ষড়যন্ত্র’ করছে বলে অভিযোগ করেছেন ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম।

লাতিন আমেরিকার সমাজ আরব সমাজের মতোই। সেখানে দেশগুলোকেও আত্মমগ্ন ও জনতুষ্টিবাদী নেতাদের বোঝা বইতে হয়। আমি ২০০৭ সালে কারাকাস গিয়েছিলাম। তখন শহরটিকে সুন্দর ও পরিষ্কার মনে হয়েছিল। শহরটিকে ঘিরে বেশ কিছু বস্তি ছিল। আমাদের গাইড আক্ষেপ করে বলেছিলেন, বস্তিবাসীরা সবাই অভিবাসী। উন্নত জীবনের আশায় লাখ লাখ মানুষ এই তথাকথিত ধনী দেশে এসে জড়ো হয়েছে।