
নির্বাচন সামনে রেখে বাংলাদেশের সংখ্যালঘুরা কেন আতঙ্কিত
বাংলাদেশের ইতিহাসে নির্বাচনের সময়গুলোতে সাম্প্রদায়িক ও রাজনৈতিক সহিংসতা বেড়ে যাওয়ার নজির রয়েছে।

বাংলাদেশের ইতিহাসে নির্বাচনের সময়গুলোতে সাম্প্রদায়িক ও রাজনৈতিক সহিংসতা বেড়ে যাওয়ার নজির রয়েছে।

চট্টগ্রামের রাউজান পৌরসভার সুলতানপুরের বণিকপাড়ায় আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হিন্দু সম্প্রদায়ের দুটি ঘর পরিদর্শন করেছে একটি নাগরিক প্রতিনিধিদল।

বাংলাদেশের প্রায় সব নির্বাচনের ক্ষেত্রেই দেখা গেছে, ভোটের আগে ও পরে ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুরা আক্রান্ত হয়েছেন।

কয়রা ও পাইকগাছা উপজেলা নিয়ে গঠিত খুলনা-৬ আসনে অতীতে বিএনপি সাধারণত জামায়াতে ইসলামীর জন্য আসনটি ছেড়ে দিত। তবে দীর্ঘদিনের জোট রাজনীতির সমীকরণ ভেঙে গেছে।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের কলকাতার ৪৯তম আন্তর্জাতিক কলকাতা বইমেলায় মুসলিম ও খ্রিষ্টান সমাজের বিরুদ্ধে ‘অকথ্য ভাষায় লিখিত বিদ্বেষপূর্ণ ও ইতিহাস বিকৃত করা পুস্তকাবলি’ বিক্রি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ আরও বলছে, এই শঙ্কা ও উদ্বেগ ভোট প্রদানে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে নিরুৎসাহিত করতে পারে।

নারী, সংখ্যালঘু ও দরিদ্রদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সামাজিক প্রতিরোধ কমিটি ইসির কাছে ১০ দফা দাবি জানিয়েছে।

আলোচকেরা বলেন, এখন মতের মিল না হলেই অনেকে সংখ্যালঘু হয়ে যাচ্ছে। মবের কারণে ভয় নিয়ে বাঁচতে হচ্ছে।

এনসিপির প্রার্থীদের মধ্যে দুজন নারী। আর সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রার্থী আছেন একজন।

২২টি রাজনৈতিক দল সংখ্যালঘু সম্প্রদায় থেকে প্রার্থী দিয়েছে। বিএনপি দিয়েছে ৬ জনকে। সর্বোচ্চ ১৭ জনকে প্রার্থী করেছে সিপিবি।

নির্বাচনে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা, তাদের যথাযথ প্রতিনিধিত্ব ও ভোটাধিকার নিশ্চিত করার দাবি।

‘গ্লোবাল বেঙ্গলি হিন্দু প্ল্যাটফর্ম, বাংলাদেশ’ নামের একটি সংগঠন মানববন্ধনের আয়োজন করে।