
‘ভোটের আগে কত নেতা আসে, ভোট শেষ হইলে আর কেউ খোঁজ নেয় না’
পোস্টার লাগানো নিষিদ্ধ থাকায় মৌলভীবাজারের চা-বাগানগুলোয় নেই চেনা নির্বাচনী আমেজ। মাইকিংও আগের মতো নেই। ফলে ভোট আসছে—এ খবরই যেন ঠিকমতো পৌঁছাচ্ছে না শ্রমিকদের কাছে।

পোস্টার লাগানো নিষিদ্ধ থাকায় মৌলভীবাজারের চা-বাগানগুলোয় নেই চেনা নির্বাচনী আমেজ। মাইকিংও আগের মতো নেই। ফলে ভোট আসছে—এ খবরই যেন ঠিকমতো পৌঁছাচ্ছে না শ্রমিকদের কাছে।

চা-বাগান ও গ্রামের আঁকাবাঁকা পথ ঘুরে ঘুরে পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখাচ্ছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্যসচিব ও মৌলভীবাজার-৪ (শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ) আসনের প্রার্থী প্রীতম দাশ।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন মৌলভীবাজার জেলার একমাত্র নারী প্রার্থী সাদিয়া নোশিন তাসনিম চৌধুরী।

চা-শ্রমিক ভীম রুদ্রপাল ব্রিটিশ আমলে জীবিকার তাগিদে পরিবার নিয়ে এ দেশে আসেন। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের আগে তিনি মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার বিনন্দপুরে জমি কেনেন। সেই থেকে পরিবারের সবাই একান্নে থাকা শুরু করেন। এখনো সেই ধারাটি টিকে আছে।

রেজাউল করিম খন্দকারের বাড়িটির অবস্থান মৌলভীবাজারের সীমান্তবর্তী এক প্রান্তে, বড়লেখা উপজেলার সরিয়া গ্রামে। বাড়ি এখন দেশি-বিদেশি দুর্লভ সব ফল-ফুলের এক মায়াবী উদ্যান হয়ে উঠেছে।

জহর লাল দত্ত সিপিবি মৌলভীবাজার জেলা কমিটির সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য। ৪০ বছর ধরে সিপিবির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। স্থানীয়ভাবে কৃষক-খেতমজুরদের দাবিদাওয়া নিয়ে আন্দোলনে সক্রিয় আছেন।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলের স্টেশন সড়কে মৌলভীবাজার-৪ আসনে এনসিপির নির্বাচনী পথসভায় বক্তব্য দেন দলটির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া।

মৌলভীবাজার সদর ও রাজনগর উপজেলাজুড়ে বিস্তৃত কাউয়াদীঘি হাওরের বিকেলটা প্রকৃতির বিচিত্র আয়োজন ও বৈচিত্র্যে আলাদা এক জগৎ।

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচার সিলেট থেকে শুরু করতে যাচ্ছে বিএনপি। দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রথম দিনেই চারটি জেলায় সমাবেশে যোগ দেবেন। জেলাগুলো হলো সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কিশোরগঞ্জ, নরসিংদী ও নারায়ণগঞ্জ।

মুক্তকণ্ঠ ট্রাস্টের উদ্যোগে গত শনিবার (১৭ জানুয়ারি) দুপুরে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ছলিমগঞ্জ ও চৈতন্যগঞ্জ এবং কুলাউড়ার তিলকপুর চা-বাগানে দরিদ্র মানুষের মধ্যে ২৫০ কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।

মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার জায়ফরনগর ইউনিয়নের হাসনাবাদ গ্রামের কৃষক পাখি মিয়া এক বিঘা পতিত জমি বর্গা নিয়ে আপেল ও বলসুন্দরী কুলের বাগান করেন।

সমাবেশের প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে। মাঠে মঞ্চ নির্মাণের কাজ চলছে। আশা করা হচ্ছে, সমাবেশের আগের দিন বুধবার সন্ধ্যার মধ্যে মাঠের কাজ শেষ হয়ে যাবে।