মূল্যস্ফীতি কমাতে সফলতা কম সরকারের
বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে মূল্যস্ফীতি কমলেও তা সহনীয় পর্যায়ে আসেনি। পার্শ্ববর্তী দেশগুলো যেভাবে মূল্যস্ফীতি কমিয়েছে, এ দেশে তা হয়নি।
বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে মূল্যস্ফীতি কমলেও তা সহনীয় পর্যায়ে আসেনি। পার্শ্ববর্তী দেশগুলো যেভাবে মূল্যস্ফীতি কমিয়েছে, এ দেশে তা হয়নি।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হিসাবে, এপ্রিলে মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ। বাজারে শাকসবজি, মাছ-মাংসের দাম বাড়তি।
ফেব্রুয়ারি মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৯ দশমিক ১৩ শতাংশ। আজ রোববার বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ফেব্রুয়ারি মাসের মূল্যস্ফীতির চিত্র প্রকাশ করেছে।
যত দূর মনে পড়ে, আমরা অর্থনীতি বা ব্যবসায় প্রশাসন পাঠকালে যখনই বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের কথা শুনেছি, তখন থেকেই জেনেছি রপ্তানি বাড়াতে স্থানীয় মুদ্রার অবমূল্যায়ন করতে হবে আর মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে মোক্ষম অস্ত্র হচ্ছে সুদের হার বৃদ্ধি।
গত এক বছরে চাল ছাড়া প্রায় সব নিত্যপণ্যের দাম কমবেশি বেড়েছে। ৫৩ মাস ধরে মূল্যস্ফীতির তুলনায় মজুরি বৃদ্ধির হার কম।
এটি নবনির্বাচিত সরকারের প্রথম বাজেট, ফলে বাজেট ঘিরে মানুষের প্রত্যাশাও তুলনামূলকভাবে বেশি।
আজ সোমবার ঢাকা চেম্বার আয়োজিত এক সেমিনারে এ কথা বলেন বক্তরা।
আজ সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের সভাকক্ষে চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধের (জানুয়ারি-জুন) মুদ্রানীতি ঘোষণা করেন গভর্নর আহসান এইচ মনসুর।
ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন তথ্য নিয়ে গবেষণাগ্রন্থ ‘ব্যাংকিং অ্যালমানাক’-এর সপ্তম সংস্করণ প্রকাশনা অনুষ্ঠানে অর্থ উপদেষ্টা এই সহযোগিতা চান।
মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আনতে নীতি সুদহার ১০ শতাংশে অপরিবর্তিত রাখল বাংলাদেশ ব্যাংক। খেলাপি ঋণ কমাতে এসেছে নতুন নিষ্পত্তি নীতি।
বিবিএস-এর হিসাবে মূল্যস্ফীতি কমলেও সাধারণ ক্রেতারা বাজারে তার প্রভাব দেখছেন না। আয়-ব্যয়ের ব্যবধান এবং পরিসংখ্যানের অসংগতির কারণে মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্তের জীবনসংগ্রাম আরও বাড়ছে।
গত ১৮ এপ্রিল জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি মূল্যস্ফীতিকে তুলে দিয়েছে, যা বিবিএস পরিসংখ্যানে প্রমাণিত। এপ্রিলে মূল্যস্ফীতি ৯.০৪ শতাংশে পৌঁছেছে। গ্রামীণ ও শহুরে নিম্নবিত্তদের সুরক্ষায় লক্ষ্যভিত্তিক কর্মসূচি জরুরি।