
শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি ও যুবদলের ৩৮ নেতাকে বহিষ্কার
বিএনপি ও যুবদলের দুটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিএনপি ও যুবদলের দুটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থীদের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণার অভিযোগে সরাইল উপজেলা যুবদল ও শ্রমিক দলের ১১ নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

মানিকগঞ্জ-১ আসনে বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণার অভিযোগে যুবদলের ৫ নেতাকে বহিষ্কার ও ছাত্রদলের ৯ নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

কিশোরগঞ্জ-৫ (বাজিতপুর-নিকলী) আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী শেখ মজিবুর রহমানের পক্ষে প্রচারণায় অংশ নেওয়ায় দুই উপজেলার আরও ১৩ জনকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

ময়মনসিংহে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থীর পক্ষে কাজ করায় ছাত্রদলের ১৫ জন নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। গতকাল রোববার জেলা উত্তর ছাত্রদলের পক্ষ থেকে এই বহিষ্কারাদেশ দেওয়া হয়।

সুনামগঞ্জে সংসদীয় আসন পাঁচটি। দুটিতে বিএনপির দুজন নেতা মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। দল তাঁদের বহিষ্কার করেছে।

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ছয় নেতাকে বহিষ্কার করা হয়।

সিলেট-৫ (জকিগঞ্জ ও কানাইঘাট) আসনে বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী মামুনুর রশীদের পক্ষে কাজ করায় দলটির ৯ নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার যন্ত্রাইল ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সেন্টু মোল্লার বক্তব্যের পর বিএনপি থেকে তাঁকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

ময়মনসিংহ-১ (হালুয়াঘাট-ধোবাউড়া) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী বিপক্ষে এবং দলের ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থীর পক্ষে কাজ করায় ৩০ জনকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

আসন্ন সংসদ নির্বাচনে নিজ দলের মনোনীত প্রার্থী মাওলানা খায়রুল ইসলাম ঠাকুরকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস।

মাদারীপুর-১ (শিবচর) আসনে বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী কামাল জামান মোল্লা ও সাজ্জাদ হোসেন সিদ্দিকীর পক্ষে প্রচারে অংশ নেওয়ায় বিএনপির ১১ নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।