
গণমাধ্যম কমিশন হবে ফ্যাসিবাদ-উত্তর বাংলাদেশের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান: তথ্যমন্ত্রী
সাংবাদিকদের স্বাধীনতা, নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিতে সমন্বিত উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার, জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী।

সাংবাদিকদের স্বাধীনতা, নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিতে সমন্বিত উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার, জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যারা ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ সিনেমার প্রদর্শনী বন্ধ করেছে, সরকার নীরবতা কিংবা নিষ্ক্রিয়তার মধ্য দিয়ে সেই গোষ্ঠীকে সমর্থন জোগাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ।

বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ইতিপূর্বে যারা সরকার গঠন করেছে কিংবা সরকারের শরিক হয়েছে, তারা কেউ স্বৈরাচারী কেউ–বা ফ্যাসিবাদীর অভিধা অর্জন করেছে। সে বাবদে বলা যায়, বাংলাদেশের রাষ্ট্রব্যবস্থা কর্তৃত্ববাদী-আনুগত্যপ্রত্যাশী শাসক তৈরির উর্বর ক্ষেত্র।

বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা ইসহাক সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে এনসিপিতে যোগ দিয়েছেন।

রাজধানীর তোপখানা রোডে বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের আলোচনাসভায় সাংস্কৃতিক ফ্যাসিবাদকে রাজনৈতিক ফ্যাসিবাদের চেয়ে ভয়াবহ বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। বিশিষ্ট বক্তারা জুলাই-পরবর্তী রাজনৈতিক নেতাদের ভাষণে সংস্কৃতির অনুপস্থিতি তুলে ধরে আত্মপরিচয়ের সংকটের কথা বলেন। আবুল মনসুর আহমদের দর্শন অনুসরণ করে সাংস্কৃতিক সংস্কারের আহ্বান জানানো হয়।

সংসদে গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট বিল এড়িয়ে ক্ষমতা কুক্ষিগত করার বিল আনার অভিযোগ তুলেছেন জামায়াত আমির শফিকুর রহমান। ওয়াকআউটের পর সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি সরকারের ওয়াদা ভঙ্গের কথা বলেন। এতে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ছে।

জামায়াত আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, গণভোটের গণরায় অস্বীকার করে বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদের যাত্রা শুরু হয়েছে এবং তারা এটি থামিয়ে দেবে। জাগপার ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে তিনি জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবি তুলে জ্বালানি সংকট ও শিক্ষার্থীদের ক্ষতির কথা উল্লেখ করেন। সভায় অন্যান্য নেতারাও গণভোট ও সংস্কারের প্রসঙ্গে কথা বলেন।

জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ বিএনপির ইচ্ছামতো সংবিধান সংশোধনকে নতুন ফ্যাসিবাদের জন্ম বলে সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, গণভোট হয়েছে সংস্কারের জন্য, সংশোধনের জন্য নয়। চিফ হুইপসহ বিএনপি নেতাদের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছেন আযাদ।

এক বিবৃতিতে শফিকুর রহমান এই শুভেচ্ছা জানান। আজ শুক্রবার বেলা ১১টা ৫৫ মিনিটে জামায়াতের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বিবৃতিটি পোস্ট করা হয়।

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, গণ–অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ফ্যাসিবাদী সরকারের পতন ঘটেছে।

ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে পিলখানা হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কারণ এখন বোধগম্য বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে যদি জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না হয়, তাহলে আরেকটি জুলাই তৈরি হবে।