
দুর্বল ব্যাংকগুলোকে টাকা দেওয়ার বিষয়ে সতর্ক করেছে আইএমএফ
আইএমএফ বলেছে, ২০২৫–২৬ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৪ দশমিক ৭ শতাংশ ও মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ৯ শতাংশে থাকবে। দুর্বল ব্যাংকগুলোকে অনিরাপদ তারল্য দেওয়ার বিষয়ে সতর্ক করেছে আইএমএফ।

আইএমএফ বলেছে, ২০২৫–২৬ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৪ দশমিক ৭ শতাংশ ও মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ৯ শতাংশে থাকবে। দুর্বল ব্যাংকগুলোকে অনিরাপদ তারল্য দেওয়ার বিষয়ে সতর্ক করেছে আইএমএফ।

চলতি অর্থবছরের প্রথম ৬ মাসে কোম্পানিটির ব্যবসা বেড়েছে প্রায় ১৪ শতাংশ আর মুনাফায় প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৩৩ শতাংশের বেশি।

গত রাজনৈতিক সরকারের আমলে দেশের অর্থনৈতিক সাফল্যের যে গল্প শুনেছি আমরা, সেটি দাঁড়িয়ে ছিল এক নড়বড়ে ভিত্তির ওপর। প্রবৃদ্ধির চটকদার শিরোনামের আড়ালে চাপা পড়েছিল অর্থনীতির গভীর কাঠামোগত দুর্বলতা।

চীনের অর্থনীতির যে আকার বা তার যে নিকট অতীতে প্রবৃদ্ধি, তাতে এই ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি যথেষ্ট না হলেও বিদ্যমান পরিস্থিতিতে তা খারাপ নয় বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

আজ সোমবার আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) প্রকাশিত ‘ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক আপডেট’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এই পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক গতি কমেছে। প্রবৃদ্ধি কমেছে, মূল্যস্ফীতি অনেক দিন ধরে উচ্চপর্যায়ে রয়েছে এবং ব্যাংক খাত খেলাপি ঋণের ভারে জর্জরিত হয়ে আছে। বেসরকারি ও বিদেশি বিনিয়োগ কম, সরকারি বিনিয়োগ অনেক ক্ষেত্রে অদক্ষ ও অপচয়মুখী, সরকারি ঋণ বেড়েছে, মানুষের প্রকৃত আয় কমছে এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি অনেক কমে গেছে। এসব কারণে অর্থনীতির ওপর দীর্ঘমেয়াদি চাপ তৈরি হয়েছে।

জাতীয় নির্বাচন হলে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা কমবে। নতুন সরকার এসে কাঠামোগত সংস্কারগুলো বাস্তবায়ন করবে, এমন প্রত্যাশা বিশ্বব্যাংকের।

আজ মঙ্গলবার বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) চলতি অর্থবছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকের জিডিপির এই তথ্য প্রকাশ করেছে। গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরের একই সময়ে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ছিল ২ দশমিক ৫৮ শতাংশ।

ভবিষ্যৎ ব্যবসা সূচকের ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, কৃষি, শিল্প, নির্মাণ ও সেবা—অর্থনীতির চারটি প্রধান খাতেই প্রবৃদ্ধির গতি আগের তুলনায় কমেছে।

সভায় বক্তারা বলেন, ব্যবসায়ী ও মানুষের আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে না আনা গেলে প্রবৃদ্ধির গতি বাড়বে না।