
কক্সবাজার সৈকতে লাইফগার্ড সেবা থাকছে আরও তিন মাস, নতুন চুক্তি
কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে বছরজুড়েই থাকে পর্যটকের ভিড়। সাগরে গোসল করতে নেমে দেশ-বিদেশ থেকে আসা এসব পর্যটকের কেউ কেউ ভেসে যান স্রোতের টানে, কেউ আবার আটকে পড়েন চোরাবালিতে।

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে বছরজুড়েই থাকে পর্যটকের ভিড়। সাগরে গোসল করতে নেমে দেশ-বিদেশ থেকে আসা এসব পর্যটকের কেউ কেউ ভেসে যান স্রোতের টানে, কেউ আবার আটকে পড়েন চোরাবালিতে।

সেন্ট মার্টিনে দুই মাসে ভ্রমণে গেলেন ১ লাখ ১৭ হাজার পর্যটক।

২০২৫ সালে থাইল্যান্ডে একটি ফেরিতে ভ্রমণের সময় পর্যটকেরা হতবাক হয়ে দেখেন, তাঁদের লাগেজগুলো পানিতে ভেসে যাচ্ছে।

২ হাজার ৮৩১ বর্গকিলোমিটারের ছোট্ট দেশটির জনসংখ্যা দুই লাখ। সমুদ্রসৈকত ও সবুজ পাহাড়ের জন্য পরিচিত এই দেশ।

ঐতিহাসিক রাজপ্রাসাদ দেখতে বছরে বিশ্বের ৭০-৮০ লাখ পর্যটক ভ্রমণ করেন। প্রাসাদে ২ হাজার ৩০০টির বেশি কক্ষ রয়েছে, যার মধ্যে প্রায় ৭০০টি কক্ষ জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত। শত শত কক্ষের মাত্র উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কক্ষ ৫ ঘণ্টায় দেখতে পেরেছি। সব কক্ষ দেখতে হলে ২–৪ দিন লেগে যাবে।

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের আধার বাংলাদেশের একমাত্র প্রবালসমৃদ্ধ দ্বীপ সেন্ট মার্টিন। পর্যটকদের কাছে অন্যতম পছন্দের গন্তব্য এ দ্বীপ। একসময় অনিয়ন্ত্রিত ও অবাধ পর্যটনের সুযোগ থাকলেও ২০২৪ সাল থেকে সরকার এখানে পর্যটন নিয়ন্ত্রণ ও সীমিতকরণ করেছে। মূলত পরিবেশ সংকটাপন্ন এলাকা হিসেবে সেন্ট মার্টিন দ্বীপের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের সংরক্ষণ ও দূষণ রোধের জন্য সরকার নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।

পর্যটন আয়ের বিষয়টি বিভিন্ন বিষয়ের ওপর নির্ভর করে। শুধু কতজন পর্যটক এলেন, তা নয়, প্রত্যেক পর্যটক গড়ে কতটা ব্যয় করেন, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ।

গারো পাহাড়ের নয়নাভিরাম জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার লাউচাপড়া অবসর বিনোদন কেন্দ্র প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর হলেও আবাসন, খাবার ও নিরাপত্তার অভাবে পর্যটকশূন্য হয়ে আছে।

সেন্ট মার্টিন সংরক্ষণে করা খসড়া মহাপরিকল্পনায় এ দ্বীপের চার কিলোমিটারের মধ্যে পর্যটকদের চলাচল সীমিত করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

গোয়েন্দা তথ্য, ড্রোন নজরদারি ও আর্থিক লেনদেনের তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে টানা ৪৮ ঘণ্টা অভিযান চালিয়ে জিম্মি পর্যটক ও রিসোর্টের মালিককে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়।

সুন্দরবনে দুই পর্যটক, রিসোর্টমালিকসহ তিনজনকে অপহরণের ঘটনায় দস্যুবাহিনীর প্রধানসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে কোস্টগার্ড।

দেশের একমাত্র প্রবালসমৃদ্ধ পাথুরে দ্বীপ সেন্ট মার্টিনকে রক্ষা করতে সরকার নানা উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ। তিনি বলেন, ‘বারবিকিউ, লেজার শো করার জন্য ঢাকাসহ বিভিন্ন জায়গা আছে। এসব আনন্দ-ফুর্তি করার জন্য পর্যটকেরা সেন্ট মার্টিন দ্বীপে যাবেন কেন? ব্যবসার নামে সেন্ট মার্টিনে আর ধ্বংসযজ্ঞ চালানো যাবে না।’