
সারোয়ার ‘পজিটিভ’, সরওয়ারও ‘নিরাশ’ নন
এই আসনে প্রার্থী ১১ জন। এখানে ধানের শীষ ও শাপলা কলি—এ দুই প্রতীকের প্রার্থীর প্রচার–প্রচারণা বেশি।

এই আসনে প্রার্থী ১১ জন। এখানে ধানের শীষ ও শাপলা কলি—এ দুই প্রতীকের প্রার্থীর প্রচার–প্রচারণা বেশি।

নারায়ণগঞ্জ–৪ আসনটি বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী জোটের প্রার্থীদের জন্য ছেড়ে দিয়েছে। প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমেছেন ১৩ জন প্রার্থী।

লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি ও কমলনগর) আসনের বিএনপির প্রার্থীকে সমর্থন জানিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী শরাফ উদ্দিন আজাদ সোহেল (কাপ-পিরিচ)। এই আসনে ধানের শীষের প্রার্থী বিএনপির সহশিল্প ও বাণিজ্য–বিষয়ক সম্পাদক এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান।

ধানের শীষ-নৌকা নেই, তবু হাড্ডাহাড্ডি লড়াই

ধানের শীষের ভোট দুই দিকেই আছে। নজর এখন নৌকার সমর্থকেরা কোন দিকে যাবে।

বক্তব্যের বিষয়ে বিএনপি নেতা নিজাম উদ্দিন বলেন, ‘আমি কোনো সাধারণ ভোটারদের হুমকি–ধামকির উদ্দেশ্যে এটা বলিনি। যাদেরকে বলেছি, তারা সবাই আমার আত্মীয়স্বজন।’

১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৯টি আসনের ব্যালটে বিএনপির দলীয় প্রতীক ধানের শীষ থাকছে না।

সবার কাছে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট প্রত্যাশা করে ফজলুর রহমান বলেন, ‘যে কথাটা বাংলাদেশে সাহস করে কেউ বলে না, সেই কথাটা আমি সংসদে বলব।’

একই আসনে বিএনপির আরেক প্রার্থী মো. মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া। হাইকোর্টের আদেশে ‘ধানের শীষ’ প্রতীক বরাদ্দসহ তাঁর নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পথ খোলে।

মনিরামপুর উপজেলা নিয়ে যশোর-৫ আসন। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসনে মোট ছয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের (একাংশ) সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রশীদ আহমাদ।

ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করছেন ছাত্রদলের সাবেক পাঁচজন সভাপতি ও দুজন সাধারণ সম্পাদক।

বাগেরহাট-৪ আসনে নতুন মুখ হিসেবে ধানের শীষের মনোনয়ন পেয়েছেন মতুয়া বহুজন সমাজ ঐক্য জোটের সভাপতি সোম নাথ দে। তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দী জামায়াতের মো. আবদুল আলীম ও বহিষ্কৃত জেলা বিএনপির সদস্য কাজি খায়রুজ্জামান শিপন (হরিণ)।