
মক্কি ও মাদানি সুরা: কোরআন নাজিলের দুই মহিমান্বিত পর্যায়
মুসলিম উম্মাহর আত্মিক গঠন ও সামাজিক বিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আল্লাহ–তাআলা এই দুই পর্যায়ে কোরআন নাজিল করেছেন। আয়াতের সঠিক মর্মার্থ বোঝার জন্য এটি অপরিহার্য।

মুসলিম উম্মাহর আত্মিক গঠন ও সামাজিক বিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আল্লাহ–তাআলা এই দুই পর্যায়ে কোরআন নাজিল করেছেন। আয়াতের সঠিক মর্মার্থ বোঝার জন্য এটি অপরিহার্য।

তিনি মরদেহের পাশে অবিরাম কোরআন পাঠ করছিলেন। তখনো আমাদের ভয় ছিল, তাঁর মরদেহ সামরিক জান্তা উঠিয়ে নিয়ে যাবে।

ইরাকি ক্যালিগ্রাফার আলী জামানের দাবি, এটি বিশ্বের বৃহত্তম হাতে লেখা কোরআন। যদিও গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস কর্তৃপক্ষ এখনো এর আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয়নি।

যখন একটি জাতি তার শ্রেষ্ঠত্বের মানদণ্ড হিসেবে বংশ বা বর্ণকে বাদ দিয়ে ‘তাকওয়া’ বা নৈতিকতাকে গ্রহণ করে, তখন সেখানে সাম্প্রদায়িক ফেতনার কোনো স্থান থাকে না।

কোরআনের তাফসিরের ক্ষেত্রে ভিত্তিহীন বর্ণনার ব্যাপারে আমাদের সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। যে বর্ণনা একজন নবীর চারিত্রিক পবিত্রতাকে ক্ষুণ্ণ করে, তা কখনোই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।

ইসলাম কেবল পার্থিব চিকিৎসার ওপর গুরুত্ব দেয়নি; বরং আধ্যাত্মিক আরোগ্যের অনন্য পদ্ধতি শিখিয়েছে, যাকে বলা হয় ‘রুক্ইয়া’। এটি কোনো জাদুকরি প্রক্রিয়া নয়; বরং ইবাদত।

আমরা অনেকেই কোরআন পড়ি, কিন্তু প্রশ্ন হলো—ঠিক কীভাবে পড়ছি? আমাদের পাঠ কি কেবল অক্ষরের উচ্চারণে সীমাবদ্ধ, নাকি তা আমাদের হৃদয়ের গভীরে রেখাপাত করছে?