
কোরআনের আলোয় সন্তানের সঙ্গে বাবার সম্পর্ক
কোরআন মাজিদ বিভিন্ন জায়গায় পিতৃত্বের প্রসঙ্গটি এনেছে এবং বিভিন্ন ধরনের বাবার উদাহরণ দিয়েছে। তার মধ্য থেকে আমরা কয়েকটি অনন্য বৈশিষ্ট্য খুঁজে পাই।

কোরআন মাজিদ বিভিন্ন জায়গায় পিতৃত্বের প্রসঙ্গটি এনেছে এবং বিভিন্ন ধরনের বাবার উদাহরণ দিয়েছে। তার মধ্য থেকে আমরা কয়েকটি অনন্য বৈশিষ্ট্য খুঁজে পাই।

‘আল-আব’ শব্দটি সন্তানের নিজের বাবা, দাদা এবং চাচা সবার ক্ষেত্রেই ব্যবহৃত হতে পারে। কিন্তু ‘ওয়ালিদ’ বলতে স্রেফ সন্তানের আপন জন্মদাতা পিতাকেই বোঝায়;

ইহকাল ও পরকালে চূড়ান্ত সফলতা অর্জন করতে হলে মানুষকে অবশ্যই আদর্শ গুণাবলি অর্জন করতে হবে। কোরআনে ইমানদারদের এমন কিছু গুণের আলোচনা করা হয়েছে।

শতাব্দীর পর শতাব্দী পার হয়ে গেলেও এর একটি অক্ষর বা হরকতেও বিন্দুমাত্র পরিবর্তন ঘটেনি। কেয়ামত পর্যন্ত কোরআন এভাবেই সংরক্ষিত থাকবে, ইনশাআল্লাহ।

আরবরা ছিল জন্মগতভাবে ভাষা ও সাহিত্যের অনুরাগী। তারা দাবি করত, বিশুদ্ধ ও সুন্দর করে কথা বলা শুধু তাদেরই অধিকার। অবশিষ্ট বিশ্ব তাদের কাছে ছিল ‘আজম’ বা বোবা।

ইসলামি অর্থনীতিতে সম্পদকে স্রেফ ব্যক্তিমালিকানাধীন বা রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি মনে করা হয় না; বরং একে আল্লাহর দেওয়া একটি পবিত্র ‘আমানত’ হিসেবে গণ্য করা হয়।

সুরা বাকারার ২৫৫ নম্বর আয়াতটিকে আয়াতুল কুরসি বলা হয়। এই আয়াতকে মহানবী (সা.) বলেছেন পবিত্র কোরআনের শ্রেষ্ঠ আয়াত।

শুধু মুখস্থের ওপর ভরসা করা হতো না। কোনো লেখা তখন পর্যন্ত গ্রহণ করতেন না, যতক্ষণ না এর পেছনে সাক্ষ্য থাকত যে এটি রাসুলের সামনে লিপিবদ্ধ করানো হয়েছে।

কোরআনের প্রতিটি শব্দ, প্রতিটি আয়াত হেদায়েত, রহমত ও কল্যাণে পরিপূর্ণ। তাই কোরআন তিলাওয়াত করা যেমন ইবাদত, তেমনি এর আদব রক্ষা করাও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।

কোরআনের বারবার তাগিদ দেওয়া আল্লাহর পক্ষ থেকে এক জোরালো ইঙ্গিত ছিল যে, ভবিষ্যতে মুসলমানরা উন্নত ও সুসভ্য জাতিসমূহের সংস্পর্শে আসবে। বাস্তব চিত্রও তা-ই ছিল।

আয়াতটি প্রাকৃতিক বিজ্ঞান সংক্রান্ত আলোচনার সমাপ্তিতে এসেছে। এটি নির্দেশ করে যে মহাবিশ্বের সৃষ্টিশৈলী যারা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করেন, তারাই আল্লাহর মহিমা বুঝতে সক্ষম হন।

অন্যায়ের মুখে কখন প্রতিবাদ করব, কখন চুপ থাকব—কোরআন ও হাদিস এর ভারসাম্যের পথ দেখায়। জুলুমের শিকার হলে কথা বলা অধিকার, কিন্তু মন্দ কথা আল্লাহ পছন্দ করেন না। সঠিক সময়, নিয়ত ও ভাষায় সিদ্ধান্ত নিন।