
রমজানের আধ্যাত্মিক প্রস্তুতির ৫ কার্যকর উপায়
রমজানের প্রস্তুতির জন্য খুব বড় কোনো আনুষ্ঠানিকতার প্রয়োজন নেই। বরং আমাদের দৈনন্দিন ইবাদতের মৌলিক বিষয়গুলোতে ফিরে আসাই হলো আসল প্রস্তুতি।

রমজানের প্রস্তুতির জন্য খুব বড় কোনো আনুষ্ঠানিকতার প্রয়োজন নেই। বরং আমাদের দৈনন্দিন ইবাদতের মৌলিক বিষয়গুলোতে ফিরে আসাই হলো আসল প্রস্তুতি।

অনেকেই ইসলাম পালনের শুরুতে প্রবল উদ্যম নিয়ে প্রায় সব ধরনের ইবাদত শুরু করেন। কিন্তু একপর্যায়ে অতিরিক্ত বোঝার চাপে ক্লান্ত-শ্রান্ত হয়ে ইবাদত ছেড়ে দেন।

রমজানের প্রস্তুতির ব্যাপারে প্রত্যেক মুমিনের জন্য জরুরি হলো, শাবানে বেশি নফল ইবাদত ও রোজার অভ্যাস তৈরি করে মনের জমিনে বীজ বপন করা।

এ বছর দেশের ৬৪ জেলার জন্য ৬৪টি আলাদা সময়সূচি প্রকাশ করেছে ইসলামিক ফাউন্ডশেন। এতে করে রোজাদারগণ নির্ভুল সময়ে পবিত্র রমজানের ইবাদত সম্পন্ন করতে পারবেন।

শবে বরাতে নির্দিষ্ট পদ্ধতির বা নির্দিষ্ট রাকাতের নামাজ আদায়ের যে বর্ণনাগুলো পাওয়া যায়, তার কোনোটিই নির্ভরযোগ্য নয়। বরং এই ধরনের নামাজ সম্পর্কিত বর্ণনার সবই ভিত্তিহীন।

ব্যায়ামহীন জীবনে রাতে দীর্ঘ সময় ঘুমিয়েও সকালে অবসাদ কাজ করে। ফলে ফজরে ওঠা কষ্টকর হয়ে পড়ে। তড়িঘড়ি নামাজ শেষ করে বিছানায় ফেরার তাগিদ কাজ করে।

ইবনে জুবায়ের তাঁর ভ্রমণকাহিনিতে লেবাননের পাহাড় অঞ্চলের খ্রিষ্টানদের সম্পর্কে লিখেছেন, তাঁরা সেখানে নির্জনে ইবাদত করা মুসলিম দরবেশদের জন্য খাবার নিয়ে আসতেন।

ইসলাম কেবল পার্থিব চিকিৎসার ওপর গুরুত্ব দেয়নি; বরং আধ্যাত্মিক আরোগ্যের অনন্য পদ্ধতি শিখিয়েছে, যাকে বলা হয় ‘রুক্ইয়া’। এটি কোনো জাদুকরি প্রক্রিয়া নয়; বরং ইবাদত।

ইবাদত কেবল দৃশ্যমান আমলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এমন বহু আমল রয়েছে, যা মানুষের চোখে পড়ে না, অথচ আল্লাহ তাআলার কাছে সেগুলোর মূল্য অপরিসীম।