
নতুন ঋণ কর্মসূচিতে যেতে আইএমএফকে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ
আইএমএফ কর্মকর্তারা বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করতে শিগগিরই বাংলাদেশ সফরের পরিকল্পনা করছেন। তবে নতুন কর্মসূচির আকার ঠিক হবে পরে।

আইএমএফ কর্মকর্তারা বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করতে শিগগিরই বাংলাদেশ সফরের পরিকল্পনা করছেন। তবে নতুন কর্মসূচির আকার ঠিক হবে পরে।

আইএমএফের ডিএমডি নাইজেল ক্লার্কের সঙ্গে গত বৃহস্পতিবার ভার্চ্যুয়াল বৈঠক করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। সেখানে চলমান কর্মসূচিটির বদলে নতুন ঋণ কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা হয়।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমি দুই বছরের কথা বলে আসছি। এর মধ্যে অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে। কত প্রবৃদ্ধি হলো এ ইতিহাস বলে লাভ নেই। সাধারণ মানুষের কী লাভ হলো সেটিই হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ।’

চলমান ঋণ কর্মসূচি থেকে আগামী জুনে ১৩০ কোটি ডলারের কিস্তি মিলছে না। কর্মসূচিটির বাইরে জরুরি ভিত্তিতে ২০০ কোটি ডলার পেতে আইএমএফকে চিঠি দেওয়া হবে।

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, আইএমএফের সঙ্গে ঋণ কর্মসূচি আওয়ামী লীগের সময়ে নেওয়া হয়েছে। সেখানে অনেক শর্ত আছে, এর কিছু শর্ত বিএনপি সরকারের কাছে গ্রহণযোগ্য না–ও হতে পারে।

বাংলাদেশকে সহায়তা করার ব্যাপারে আইএমএফ, বিশ্বব্যাংক, এডিবি—সবার দৃষ্টিভঙ্গিই ইতিবাচক। আমরা একটা প্যাকেজ আশা করছি এবং প্যাকেজের আকার কী হবে, সে জন্য অপেক্ষা করছি।’

আইএমএফের সঙ্গে ১৬ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের বৈঠক হয়নি, বৈঠক হয়েছে গতকাল শুক্রবার।

আজ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ছয়টায় যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলন করেছে আইএমএফ। এতে সংস্থাটির এশিয়া ও প্যাসিফিক বিভাগের পরিচালক কৃষ্ণা শ্রীনিবাসন বক্তব্য দেন।

যদি যুদ্ধ আরও দীর্ঘায়িত হয় এবং আরও অনেক দেশ এতে জড়িয়ে পড়ে, তাহলে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার আরও কমতে পারে।

মধ্যপ্রাচ্য সংকটের কারণে বিশ্ব অর্থনীতিতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ক্রমেই বাড়ছে।

মধ্যপ্রাচ্য সংকটের কারণে বাংলাদেশসহ এশিয়ার দেশগুলো ভুগছে। জ্বালানিসংকট প্রকট হচ্ছে। এসব কারণে প্রবৃদ্ধি কমে যেতে পার বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক ও এডিবির মতো সংস্থাগুলো।

আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের বসন্তকালীন বৈঠক যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটনে গতকাল সোমবার শুরু হয়েছে, যা চলবে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত। আইএমএফসহ উন্নয়ন সহযোগীদের কাছে ৩০০ কোটি মার্কিন ডলারের সহায়তা আশা করছে বাংলাদেশ।