
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার চারটি আসনে বিএনপির অস্বস্তি ছয় ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার চারটি সংসদীয় আসনে এখনো বিএনপির ছয়জন নেতা ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী মাঠে রয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার চারটি সংসদীয় আসনে এখনো বিএনপির ছয়জন নেতা ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী মাঠে রয়েছেন।

২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন আফসানা বেগম। তখন এই নিয়োগের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছিল, তাঁর মেয়াদ হবে দুই বছর।

বাংলাদেশের দুর্ভাগ্য! ‘এত কথা বলার দরকার কী’—এই বাক্যটিই আজও এ দেশের রাজনীতির সবচেয়ে শক্তিশালী প্রভাবক। কারও হয়তো প্রশ্ন করতে মন চাইছে, কিন্তু সব প্রশ্ন কি করতে পারছে?

সীতাকুণ্ডে রঙিন ফুলকপির চাষাবাদ শুরু হয়েছে ২০২৩ সালে। সে বছর পরীক্ষামূলকভাবে ১৩ শতক জমিতে ১ হাজার ২০০ চারা লাগানো হয়। রঙের ভিন্নতার কারণে খুব দ্রুত স্থানীয় বাজারে এটি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। যার কারণে পরের বছর থেকে চাষাবাদও বেড়ে যায়। ২০২৪ সালে চাষাবাদ হয় ৩ হেক্টর জমিতে। চলতি মৌসুমে সীতাকুণ্ডের ৪ হেক্টর জমিতে রঙিন ফুলকপির চাষ হয়েছে।

মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার জায়ফরনগর ইউনিয়নের হাসনাবাদ গ্রামের কৃষক পাখি মিয়া এক বিঘা পতিত জমি বর্গা নিয়ে আপেল ও বলসুন্দরী কুলের বাগান করেন।

প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সময় শেষ। আজ প্রতীক বরাদ্দ। আগামীকাল থেকে আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরু।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৮ (চান্দগাঁও-বোয়ালখালী) আসনটি ১০-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের শরিক এনসিপির জন্য ছাড় দেওয়ার কথা থাকলেও মনোনয়ন প্রত্যাহার করেননি জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী। এ বিষয়ে গতকাল মঙ্গলবার রাত ১০টায় নগরের বহদ্দারহাট এলাকার একটি রেস্তোরাঁয় এনসিপি প্রার্থীকে নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

গতকাল মঙ্গলবার ট্রাম্পের রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে চার বছরের মেয়াদের এক বছর পেরোল।

দেশসেরা আর্চার রোমান সানা ও দিয়া সিদ্দিকী এখন যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী। টার্গেট বোর্ড ছেড়ে নিউইয়র্কের কর্মব্যস্ত জীবনে থিতু হওয়ার লড়াই করছেন এই তারকা দম্পতি।

যশোরের কেশবপুর উপজেলার চারটি গ্রাম—বাগডাঙ্গা, মনোহরনগর, আড়ুয়া ও কালীচরণপুর—দীর্ঘ এক দশকের বেশি সময় ধরে যে জলাবদ্ধতার মধ্যে রয়েছে, তা আর প্রাকৃতিক দুর্যোগের সাধারণ বর্ণনায় ধরা যায় না।

শিক্ষকতার পাশাপাশি তাঁদের অনেকেই আয় বাড়ানোর জন্য গাভি পালন, গরু মোটাতাজাকরণ, হাঁস-মুরগি পালন, মৎস্য চাষ, নার্সারি স্থাপন, ক্ষুদ্র ব্যবসা পরিচালনাসহ বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে নিজেদের সম্পৃক্ত রাখেন।

ইরানে সামান্য অস্থিরতাও ব্যাপক প্রচার পায়। প্রতিটি ঘটনাই বড় করে দেখানো হয়। একটি জ্বলন্ত ডাস্টবিন ভবিষ্যতের সংকেত হয়ে ওঠে।