
ভারতে বিশ্বকাপ খেলার সিদ্ধান্ত নিতে সময় বেঁধে দেয়নি আইসিসি, বলছে বিসিবি
বিসিবি–সংশ্লিষ্ট কেউই এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কথা বলতে চাইছেন না। তবে সূত্রের খবর, বিসিবিকে আইসিসর সময় বেঁধে দেওয়ার আসলে কিছু নেই।

বিসিবি–সংশ্লিষ্ট কেউই এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কথা বলতে চাইছেন না। তবে সূত্রের খবর, বিসিবিকে আইসিসর সময় বেঁধে দেওয়ার আসলে কিছু নেই।

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব, অ-১৯ বিশ্বকাপ ক্রিকেট, বিপিএলের এলিমিনেটর ও কোয়ালিফায়ার, উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ—খেলাময় এক দিন আজ।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক গতি কমেছে। প্রবৃদ্ধি কমেছে, মূল্যস্ফীতি অনেক দিন ধরে উচ্চপর্যায়ে রয়েছে এবং ব্যাংক খাত খেলাপি ঋণের ভারে জর্জরিত হয়ে আছে। বেসরকারি ও বিদেশি বিনিয়োগ কম, সরকারি বিনিয়োগ অনেক ক্ষেত্রে অদক্ষ ও অপচয়মুখী, সরকারি ঋণ বেড়েছে, মানুষের প্রকৃত আয় কমছে এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি অনেক কমে গেছে। এসব কারণে অর্থনীতির ওপর দীর্ঘমেয়াদি চাপ তৈরি হয়েছে।

আপিল শুনানির শেষ দিনে ঋণ খেলাপি এবং দ্বৈত নাগরিকত্ব–সংক্রান্ত বিষয়ে কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ প্রার্থীর মনোনয়ন নিয়ে রায়ের দিন ধার্য ছিল।

পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যমের খবর, বাংলাদেশের ভারতে না খেলার সিদ্ধান্তে সমর্থন জানিয়েছে দেশটির সরকার। প্রয়োজনে বিশ্বকাপ খেলার সিদ্ধান্তও নাকি পুনর্বিবেচনা করবে তারা।

অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে চলছে প্রথম রাউন্ডের খেলা। আজ বিকেলে কোর্টে নামবেন নোভাক জোকোভিচ। অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে স্কটল্যান্ডের মুখোমুখি পাকিস্তান।

প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বৈধ বা অবৈধ ঘোষণার ক্ষেত্রে ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকত্বের বিষয়ে নির্বাচন কমিশন (ইসি) পক্ষপাতিত্ব করছে বলে অভিযোগ করেছে জামায়াতে ইসলামী।

প্রার্থিতা-সংক্রান্ত আপিলের শুনানিতে নির্বাচন কমিশন (ইসি) প্রায় প্রত্যেক দ্বৈত নাগরিক ও ঋণখেলাপিকে ছাড় দিয়ে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বৈধতা দিয়েছে বলে অভিযোগ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।

এরই মধ্যে ৯টি আর্থিক প্রতিষ্ঠান অবসায়ন বা বন্ধের প্রক্রিয়া শুরু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এসব প্রতিষ্ঠানের খেলাপি ঋণ ৯৯ শতাংশ পর্যন্ত।

শুনানির শেষ দিনটিকে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জন্য ‘রেড লাইন’ আখ্যা দিয়েছে এনসিপি।

আইসিসির প্রতিনিধিরা বিসিবির কথা শুনলেও কোনো সিদ্ধান্ত জানাতে পারেননি। সভাপতি জয় শাহর সঙ্গে আলোচনার পর এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানানোর কথা জানিয়েছে তারা।

ইসলামী আন্দোলন জোট থেকে বেরিয়ে যাওয়ায় ফাঁকা হওয়া ৪৭টি আসন ১০ দলের মধ্যে সমঝোতার ভিত্তিতেই বণ্টন হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক।