
মাদক নির্মূলে সবাইকে সোচ্চার হতে হবে
মাদক জাতিকে মেধাশূন্য করে। সমাজ ও দেশকে বাঁচাতে মাদককে প্রতিরোধ করতে হবে। মাদকের বিরুদ্ধে দুর্বার সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। তরুণ প্রজন্মকে রক্ষা করতে মাদকের সহজলভ্যতা ঠেকাতে হবে।

মাদক জাতিকে মেধাশূন্য করে। সমাজ ও দেশকে বাঁচাতে মাদককে প্রতিরোধ করতে হবে। মাদকের বিরুদ্ধে দুর্বার সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। তরুণ প্রজন্মকে রক্ষা করতে মাদকের সহজলভ্যতা ঠেকাতে হবে।

চরম বিদ্যুৎ–সংকটে ক্ষোভ ছড়িয়েছে নানা জেলায়; কোথাও সড়ক অবরোধ, কোথাও কার্যালয় ঘেরাও, আবার কোথাও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন কর্মকর্তারা।

মাদক শুধু একটা জীবনকে ধ্বংস করে না, একই সঙ্গে একটি পরিবারকেও বিপর্যয়ের মুখে ঠেলে দেয়। মাদকের পরিণতি হয় ভয়াবহ। ধীরে ধীরে একটা জাতিকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যায়।

জাতীয় সংসদে পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইন সংশোধন এবং বিভিন্ন ভাতার বরাদ্দ বৃদ্ধির পরিকল্পনা জানানো হয়েছে।

বাড়ির অন্দরসজ্জা শুনলেই মনে আসে এখন নান্দনিকতা, প্রযুক্তি ও আভিজাত্যের মেলবন্ধন।

কক্সবাজারের উখিয়ায় ইনানী সমুদ্রসৈকতে বন্ধুদের সঙ্গে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ পর্যটক মোহাম্মদ সায়েমের (২২) লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ রোববার সকালে ইনানী সমুদ্রসৈকতের প্রায় সাত কিলোমিটার দূরে রামুর রেজুখাল ব্রিজ এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিস। এর আগে গতকাল শনিবার দুপুরে নিখোঁজ হন মোহাম্মদ সায়েম।

তাঁর কাজ মূলত নিউইয়র্ক নিউ জার্সি স্টেডিয়ামের ভিআইপি অতিথি, সাবেক খেলোয়াড় ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের আতিথেয়তা দেওয়া, সহযোগিতা করা।

শেরপুর সদর উপজেলার একটি ঈদগাহ মাঠের প্রাচীন বটগাছ কাটার উদ্যোগ শেষ পর্যন্ত বন্ধ করা হয়েছে জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে।

আরএসএস কেন অন্য অসংখ্য সংগঠনের মতো নিবন্ধন এবং জনগণের কাছে জবাবদিহির আওতায় আসবে না, কর্ণাটকের মন্ত্রী প্রিয়াঙ্ক খাড়গের সাম্প্রতিক এমন এক মন্তব্য আবারও একটি রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবস ২০২৬ উপলক্ষে শুক্রবার বিকেল পাঁচটায় সারা দেশের ৬৪টি জেলায় একযোগে মাদকবিরোধী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

চট্টগ্রামে মুক্তকণ্ঠ ট্রাস্টের মানববন্ধনে বক্তারা মাদক প্রতিরোধে পরিবার ও সমাজকে একসঙ্গে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।

এভাবে ‘কাণ্ডারী হুঁশিয়ার’ গড়ে ওঠে পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক চৈতন্যের বনিয়াদে। দেশ-কালের বিশেষ পরিস্থিতি মোকাবিলা করে সে আয় করে নেয় তেজোদ্দীপ্ত উচ্চারণভঙ্গি। তৎসম শব্দ, স্বর ও ব্যঞ্জনের সুরেলা বিন্যাস আর সামষ্টিক জনতার কোরাসসম উচ্চারণে নিষ্পন্ন হয় তার নান্দনিক বিশিষ্টতা। উত্থিত জনতার লিপ্ত আবেশে গড়া যুগের সবল অভিব্যক্তি থেকে সে শুষে নেয় মুক্তির প্রকল্প। যুগসত্য থেকে ছেনে নেওয়া বলেই মুক্তির এ বার্তা এত তীব্র, কার্যকর আর সামঞ্জস্যপূর্ণ। শতবর্ষে এসে নিশ্চিন্তে বলা যায়, বাংলাভাষীরা আরও বহুকাল ‘কাণ্ডারী হুঁশিয়ার’ নিত্য বর্তমান শিল্পকর্ম হিসেবে ব্যবহার ও ভোগ করতে থাকবে।