
বিশ্বকাপে কোন সমীকরণে মুখোমুখি হতে পারে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র
২০২৬ বিশ্বকাপে মাঠের লড়াই ছাড়িয়ে এখন আলোচনার তুঙ্গে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য মুখোমুখি হওয়ার সমীকরণ।

২০২৬ বিশ্বকাপে মাঠের লড়াই ছাড়িয়ে এখন আলোচনার তুঙ্গে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য মুখোমুখি হওয়ার সমীকরণ।

ট্রাম্প যখন এই অজনপ্রিয় ইরান যুদ্ধ থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন, চুক্তি করতে যাচ্ছেন, তখন মনে হচ্ছে তিনি উল্টো তাঁর অন্যপক্ষের সমর্থকদের ক্ষুব্ধ করতে যাচ্ছেন।

ম্যাচ শেষেই তাদের লস অ্যাঞ্জেলেস ছেড়ে তড়িঘড়ি করে মেক্সিকোর তিহুয়ানায় অবস্থিত ট্রেনিং ক্যাম্পে ফিরে যেতে বাধ্য করা হয়েছে।

স্টেডিয়ামের বাইরে ৩০০ থেকে ৫০০ বিক্ষোভকারী জড়ো হয়ে পতাকা উড়িয়ে, সরকারবিরোধী গান গেয়ে বিক্ষোভ করেন।

দুই বিপরীতমুখী চাপ সামলানোই হবে ইরানের শাসকগোষ্ঠীর বড় চ্যালেঞ্জ।

ইসরায়েলের সব রাজনৈতিক দল ও মতাদর্শের নেতারা একযোগে এই চুক্তির তীব্র নিন্দা ও সমালোচনা করেছেন। তাঁদের মতে, চুক্তিটি পুরোপুরি ইসরায়েলের স্বার্থের পরিপন্থী।

পরিবর্তনশীল বিশ্বে আধিপত্য ধরে রাখতে হিমশিম খাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।

এবারের আগে ১৯৮২ ও ২০১০ বিশ্বকাপে খেলেছিল নিউজিল্যান্ড। প্রথমবার তিন ম্যাচে হারলেও পরেরবার তিনটিতেই ড্র করেছিল দলটি।

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতি চুক্তি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর জন্য একটি রাজনৈতিক দুঃস্বপ্ন হয়ে এসেছে।

যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের দাবি, তাদের হামলায় ৫০ জনের বেশি ইরানের শীর্ষস্থানীয় নেতা নিহত হয়েছেন।

গত ২ মার্চ থেকে লেবাননে হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েল।

যুদ্ধের শুরুতে ট্রাম্প ইরানে শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের কথা বলেছিলেন। কিন্তু তা পারেননি; বরং এখন হরমুজ খুলতে পেরে তাঁকে খুশি থাকতে হচ্ছে।