
ক্যানবেরায় অন্য রকম একুশ
২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের ১৩তম বার্ষিক পালনে ক্যানবেরার আইকনিক স্থাপত্য ন্যাশনাল ক্যারিলনে বেজে ওঠে ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি...’।

২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের ১৩তম বার্ষিক পালনে ক্যানবেরার আইকনিক স্থাপত্য ন্যাশনাল ক্যারিলনে বেজে ওঠে ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি...’।

এমন কেউও আছেন, যাঁরা সারা জীবন নিজ ভূমিতে বাস করে নিজের ভাষায় কাজ করেও সীমান্ত পেরিয়ে ভিনভাষীদের মধ্যেও স্বীকৃতি পেয়েছেন, সম্মানিত হয়েছেন। এতে মনে হয়, মাতৃভাষার চর্চা বিফলে যায় না। এমনই চারজনের কথা সংক্ষেপে এখানে তুলে ধরা হবে।

অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে একুশের অবিনাশী চেতনাকে ধারণ করে উদ্যাপিত হলো বর্ণাঢ্য ‘একুশে মেলা ২০২৬’।

অস্ট্রেলিয়ার সিডনির ক্রাস বুশ পার্কের মনোরম পরিবেশে গত শনিবার ৩১ জানুয়ারি ২০২৬ অনুষ্ঠিত হলো নারী সংগঠন ‘বাংলাদেশ লেডিস ক্লাব অস্ট্রেলিয়া’র বর্ণিল বার্ষিক বনভোজন।

গণতন্ত্রের মূল শর্ত হলো রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানগুলোকে স্বাধীন ও শক্তিশালী রাখা।

এক মেয়ে দুষ্টুমি করে টিচারের কানে কথাটি পৌঁছে দেয়। একসময়ে টিচার রেশমীর মামির কাছে বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে আসেন। রেশমী ভাবল আপা যেমন সুন্দর, নিশ্চয় তার বোনের ছেলেও তেমনি সুন্দর হবে। আপাও তার বোনের ছেলে যে কলেজে রেশমীকে দেখেছে, ও পছন্দ করেছে, তা গোপন রাখলেন।