
হৃদপুরের শীতকাহন: অনব ফিরে ফিরে আসি
নামছি আমার স্মৃতির উঠোনে। আমার পুরোনো ডেরা ভেঙে গেছে সেই কবে, জাগতিক হিসেব-নিকেশে আমি বাস্তুচ্যুত। কিন্তু তাতে কী আসে–যায়? পা ফেলতেই হৃদপুরের পথঘাট আমাকে ফিসফিস করে বলল, ‘তুমি ফিরেছ!’

নামছি আমার স্মৃতির উঠোনে। আমার পুরোনো ডেরা ভেঙে গেছে সেই কবে, জাগতিক হিসেব-নিকেশে আমি বাস্তুচ্যুত। কিন্তু তাতে কী আসে–যায়? পা ফেলতেই হৃদপুরের পথঘাট আমাকে ফিসফিস করে বলল, ‘তুমি ফিরেছ!’

প্রথাগত শিক্ষায় সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও তিনি কীভাবে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক অনিবার্য চরিত্র হয়ে উঠলেন, সেই প্রশ্ন আমাদের শিক্ষা, নেতৃত্ব ও সফলতার সংজ্ঞা নতুন করে ভাবতে বাধ্য করে।

চার দশকের বেশি সময় ধরে নিরবচ্ছিন্ন সংগ্রাম, ত্যাগ আর আপসহীন নেতৃত্বের এক দীর্ঘ অধ্যায় শেষে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন।

ষাটের দশক থেকে ২০১৭ পর্যন্ত ঢাকায় মোহামেডানের ম্যাচ খুব একটা মিস করেননি আতাউর। শরীর ভেঙেছে, কিন্তু মনের জোর ভাঙেনি। অসুস্থ শরীর নিয়েও ছুটে গেছেন গ্যালারিতে।

মানুষের সঙ্গে অন্যান্য প্রাণীর সবচেয়ে বড় পার্থক্য হলো আমাদের বড় মস্তিষ্ক ও দুই পায়ে সোজা হয়ে হাঁটার ক্ষমতা।

অভ্যুত্থানের চেতনা কতখানি বেহাত হলো, সে বিষয়ে সন্দিহান করে তোলে। কেননা, জুলাইয়ের সময় ‘বৈষম্যহীন’, ‘নতুন বন্দোবস্ত’ ও ‘ইনসাফের’ জন্যই সাধারণ মানুষ রাজপথে নেমে এসেছিল। দিন শেষে মানুষ শান্তি চায়, চায় জীবনমানের দৃশ্যমান উন্নতি। এই চাওয়ার কতখানি পেলাম আমরা, তা নৈর্ব্যক্তিকভাবে পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ করার প্রয়োজন আছে বলে মনে করি।

প্রতিনিধি পরিষদে বর্তমানে ট্রাম্পের দল রিপাবলিকান পার্টি সামান্য ব্যবধানে সংখ্যাগরিষ্ঠ

ভেনেজুয়েলার পর লাতিন আমেরিকার অন্যান্য দেশেও হামলার হুমকি ট্রাম্পের।

রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনার কারণে ভারতসহ বেশ কিছু দেশের ওপর ৫০০ শতাংশ পর্যন্ত আমদানি শুল্ক (ট্যারিফ) আরোপ করার একটি বিলে সমর্থন দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

আগেকার দিনে নেশার জন্য মানুষকে কোথাও যেতে হতো, যেমন তাসের আড্ডা বা নির্দিষ্ট কোনো স্থান। কিন্তু প্রযুক্তি এখন আমাদের পকেটে থাকে। আপনি একটা গুরুত্বপূর্ণ মেসেজ দেখতে ফোন হাতে

আমরা কি শিক্ষাব্যবস্থাকে পরীক্ষার ফলাফলের কারখানা হিসেবেই রেখে দেব, নাকি মানুষের পূর্ণাঙ্গ বিকাশের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলব? যদি আমাদের লক্ষ্য হয় একটি মানবিক, নৈতিক ও সুস্থ বাংলাদেশ, তবে সেই স্বপ্নের ভিত্তি গড়তে হবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকেই। ‘ওয়েল-বিয়িং’ ক্লাব সেই ভিত্তি নির্মাণের একটি নীরব, কিন্তু শক্তিশালী পথ।

আমার জীবনে কোনো কিছুরই তাগিদ নেই। ছেড়ে আসা ঘর আর কিছু বইপত্তর ছাড়া কিছুই ছিল না কখনো। কিন্তু প্রতিবার শুরু করতে হয় বলেই শুরু করা।