
গোপালগঞ্জের ৩ আসনে ২৬ জন প্রার্থী
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গোপালগঞ্জের তিনটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে মোট ৩৮ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গোপালগঞ্জের তিনটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে মোট ৩৮ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফেনী-১ (ছাগলনাইয়া-ফুলগাজী-পরশুরাম) আসনে এবার মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর মধ্যে হবে বলে ধারণা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

স্থাবর সম্পদে এগিয়ে আছেন কুমিল্লা-৯ আসনের মো. আবুল কালাম। তাঁর সম্পদের পরিমাণ ৬৫ কোটি টাকা। এরপরই আছেন কুমিল্লা-৭ আসনের রেদোয়ান আহমেদ।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচনেও বড় জয় পেয়েছে ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেল ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’।

হবিগঞ্জ-১ (নবীগঞ্জ-বাহুবল) আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী রেজা কিবরিয়াকে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে।

প্রচার শুরুর আগেই ভোট চাওয়ায় ও গণসংযোগের ভিডিও ফেসবুকে দেওয়ার বিষয়ে নওগাঁয় নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির কার্যালয়ে ব্যাখ্যা জানাতে বলা হয়েছে।

মনোনয়নপত্রের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা হলফনামা ও আয়কর রিটার্নে অনিচ্ছাকৃত তথ্যের ভুল ছিল, যা সংশোধন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পঞ্চগড়–১ (সদর, তেঁতুলিয়া ও আটোয়ারী) আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) মনোনীত প্রার্থী সারজিস আলম।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নাটোর জেলায় কোটিপতি প্রার্থীর ছড়াছড়ি। জেলার চারটি আসনে বিএনপি মনোনীত চার প্রার্থীসহ অন্তত ১১ জন কোটিপতি প্রার্থী আছেন।

হিসাব করে দেখা গেছে, সুনামগঞ্জের প্রার্থীরা নির্বাচনে ব্যয় করবেন ৮ কোটি ৪৩ লাখ ২৬ হাজার ৪২৭ টাকা।

হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, ১৪ প্রার্থীর মধ্যে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি আছে আটজনের। স্নাতক বা এর সমমানের ডিগ্রি আছে পাঁচজনের। একজনের শিক্ষাগত যোগ্যতা এসএসসি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়পুরহাট জেলার দুটি আসনে বিএনপির প্রার্থী ঘোষণার পর দলটির একাংশের নেতা-কর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনটি যুগপৎ আন্দোলনের শরিক গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকিকে ছেড়ে দিয়েছে বিএনপি। তবে নির্বাচনী মাঠে আছেন বিএনপির দুই ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী।