
কোটিপতি প্রার্থী খরচ করবেন সবচেয়ে কম, সর্বোচ্চ কত
জামায়াতের ওই প্রার্থীর নাম ইসহাক খন্দকার। তিনি জেলা জামায়াতের আমির। এ নির্বাচনে তিনি নোয়াখালী-৪ আসনের প্রার্থী হয়েছেন। নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা বিশ্লেষণে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

জামায়াতের ওই প্রার্থীর নাম ইসহাক খন্দকার। তিনি জেলা জামায়াতের আমির। এ নির্বাচনে তিনি নোয়াখালী-৪ আসনের প্রার্থী হয়েছেন। নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা বিশ্লেষণে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে সীমানা পুনর্নির্ধারণ করে বাগেরহাটের একটি সংসদীয় আসন কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে তাসনিম জারার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়া দলীয় নেতাদের মনোনয়ন প্রত্যাহারে রাজি করাতে আলোচনা চালাচ্ছে বিএনপি। ব্যর্থ হলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত।

সিলেটে জামায়াতের চেয়ে বিএনপির প্রার্থীরা বেশি সম্পদশালী। স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ—সব দিক দিয়েই তাঁরা তুলনামূলকভাবে এগিয়ে আছেন।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব মোহাম্মদ শফিকুল আলম বলেছেন, ‘আমরা মনে করি, খুব ভালো লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড আছে। বর্তমানে প্রার্থীদের যাচাই-বাছাই চলছে। পুরোদমে নির্বাচনী প্রচার শুরু হবে ২২ জানুয়ারি থেকে। আমরা মনে করি, এখনো যথেষ্ট ভালো পরিবেশ রয়েছে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অনেক আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের পাশাপাশি দলের নেতারা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচনে ইসলামী ছাত্রশিবির–সমর্থিত ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’ প্যানেলে যে চারজন নারী প্রার্থী ছিলেন, তাঁদের সবাই বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীদের সঙ্গে তাঁদের ভোটের ব্যবধানও বেশি।

নাটোরের সিংড়া উপজেলায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষের কর্মী রায়হান কবীরের (৪৫) দুই পায়ের রগ কেটে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ছাত্রদলের ভেতরে বিভাজন রয়েছে। বাম-সমর্থিত জোটের প্রার্থীরা সাড়া পাননি। জাতীয় ছাত্রশক্তি–সমর্থিত প্যানেল ভোট টানতে ব্যর্থ হয়েছে।

হলফনামা পর্যালোচনায় দেখা গেছে, নোয়াখালীর ছয়টি আসনেই বিএনপির প্রার্থীরা কোটিপতি। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি অর্থ ও সম্পদের মালিক নোয়াখালী-৫ (কোম্পানীগঞ্জ ও কবিরহাট) আসনের প্রার্থী মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম।

নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে ঝালকাঠি-২ (ঝালকাঠি সদর-নলছিটি) আসনের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী এস এম নিয়ামুল করিম এবং ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের প্রার্থী মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম সিরাজীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।