
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কারণে বাড়ছে বিদ্যুতের চাহিদা, জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে উদ্বেগ
কলসাস ডেটা সেন্টার থেকে নির্গত গ্রহ উষ্ণকারী গ্যাসের পরিমাণ একটি বড় বিদ্যুৎকেন্দ্রের নিঃসরণের কাছাকাছি।

কলসাস ডেটা সেন্টার থেকে নির্গত গ্রহ উষ্ণকারী গ্যাসের পরিমাণ একটি বড় বিদ্যুৎকেন্দ্রের নিঃসরণের কাছাকাছি।

ড্যানিয়েল কোকোটাজলো গত এপ্রিলে ‘এআই ২০২৭’ শীর্ষক একটি সময়সীমা প্রকাশ করে ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দিয়েছিলেন।

এরই মধ্যে এআই বহু নিয়মিত কাজ স্বয়ংক্রিয় করে ফেলেছে। আগে যেসব কাজে লাইন ম্যানেজারের অনেক সময় ব্যয় হতো, এখন সেগুলো দ্রুত ও কার্যকরভাবে সম্পন্ন হচ্ছে।

আমাদের জীবনের সঙ্গে কম্পিউটার প্রযুক্তির মতো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাও অবশ্যম্ভাবীভাবে জড়িয়ে যাচ্ছে। ভবিষ্যতে এর ব্যবহার বাড়তেই থাকবে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে যেকোনো অনুরোধ বা জিজ্ঞাসার সময় মনে রাখা দরকার যে এই প্রতিটি উত্তর তৈরি করার পেছনে রয়েছে বিদ্যুৎ, তাপ আর জলের অপরিহার্যতা।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক ব্যক্তিগত সহকারী ওপেনক্লো এখন আইফোন ও অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনেও ব্যবহার করা যাবে।
গলায় স্কুলের নির্দিষ্ট টাই পরা একঝাঁক শিক্ষার্থী। শ্রেণিকক্ষের এক কোণে কেউ গভীর মনোযোগ দিয়ে পিয়ানোতে সুর তুলছে।

জেমিনাই অ্যাপে ব্যক্তিগত ছবি তৈরির সুবিধা আরও বেশি ব্যবহারকারীর জন্য উন্মুক্ত করছে গুগল।

বুদ্ধিমান প্রযুক্তি, যা বিদ্যুতের চাহিদার পূর্বাভাস দিতে পারবে, অপচয় কমাবে এবং বড় কোনো দুর্ঘটনার আগেই অবকাঠামোর ত্রুটি শনাক্ত করতে সক্ষম হবে।

এআই প্রযুক্তির দ্রুত বিস্তারের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে কম্পিউটারের সক্ষমতার চাহিদা।

একটা আর্টিকেলে পড়েছিলাম নিচের সাতটি গুণ থাকলে নাকি নারীকে আদর্শ স্ত্রী বলে মনে করেন বেশির ভাগ পুরুষ।

মাদকসহ গ্রেপ্তার এক ব্যক্তির ছবি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে সম্পাদনা করে আর্জেন্টিনার জার্সির বদলে ব্রাজিলের জার্সি বানিয়েছেন পুলিশের একজন উপপরিদর্শক।

ধ্বংসোন্মুখ পৃথিবী। বইছে ধূলিঝড়। বাতাস বিষাক্ত। ফসলের খেত পুড়ে ছারখার। না খেয়ে মরছে মানুষ। অথচ সেই চরম সংকটময় সময়ে ভূগর্ভস্থ গোপন দপ্তরে বসে বিজ্ঞানীরা কোটি কোটি ডলার খরচ করে বানাচ্ছেন মহাকাশযান।