
গ্রিনল্যান্ড, ভেনেজুয়েলা ও ইউক্রেনকে এক সুতায় বাঁধল কে
ট্রাম্প বলেন, তিনি গ্রিনল্যান্ডকে ‘নিরাপদ’ করতে চান। বাস্তবে তিনি চান এর খনিজ সম্পদ এবং আমেরিকাকে আবার বড় করতে।

ট্রাম্প বলেন, তিনি গ্রিনল্যান্ডকে ‘নিরাপদ’ করতে চান। বাস্তবে তিনি চান এর খনিজ সম্পদ এবং আমেরিকাকে আবার বড় করতে।

গ্রিনল্যান্ডে পৌঁছেছেন ইউরোপের ছয়টি দেশের সেনারা।

ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মার্কিন প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হয়েছে।

গত জুনে ইরান, ডিসেম্বরে নাইজেরিয়া এবং জানুয়ারিতে ভেনেজুয়েলায় ট্রাম্পের হামলা গ্রিনল্যান্ড দখলের আশঙ্কা বাড়িয়েছে।

সম্প্রতি ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও গ্রিনল্যান্ড দখলের ইচ্ছা পোষণ করেন।

বরফমুক্ত হতে থাকা সুমেরু অঞ্চলে সম্পদ, ভূখণ্ড এবং আটলান্টিকের প্রবেশপথ নিয়ে চলছে তীব্র প্রতিযোগিতা।

গ্রিনল্যান্ডের বাসিন্দারা ডেনমার্ক থেকে আলাদা হয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যেতে রাজি হওয়ার জন্য প্রত্যেককে ১০ হাজার থেকে ১ লাখ ডলার পর্যন্ত দেওয়া নিয়ে আলোচনা চলছে।

ট্রাম্প বলেন, ‘গ্রিনল্যান্ড আমরা না নিলে রাশিয়া ও চীন তা দখল নিতে পারে, এ কারণেই যুক্তরাষ্ট্রের ওই ভূখণ্ড প্রয়োজন।’

২০২৫ সালজুড়ে ট্রাম্প প্রশাসনকে ঘিরে ইউরোপীয় নেতাদের লক্ষ্য ছিল একটাই—যুক্তরাষ্ট্রকে ইউরোপের নিরাপত্তাকাঠামো, ইউক্রেন যুদ্ধ এবং ন্যাটোর সঙ্গে যুক্ত রাখা।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকির জবাবে গ্রিনল্যান্ডের রাজনীতিবিদেরা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, তাঁরা ‘আমেরিকান হতে চান না’।

গ্রিনল্যান্ডে ৫৭ হাজার মানুষ বসবাস করেন, তাঁরা মার্কিন হতে চান না

ওয়াশিংটনের হুমকির কারণে ন্যাটোর একটি কেন্দ্রীয় মূলনীতি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে।