
৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি কীভাবে অর্জন করল চীন, শুল্ক বাধা কতটা কাজ করে
চীনের অর্থনীতির যে আকার বা তার যে নিকট অতীতে প্রবৃদ্ধি, তাতে এই ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি যথেষ্ট না হলেও বিদ্যমান পরিস্থিতিতে তা খারাপ নয় বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

চীনের অর্থনীতির যে আকার বা তার যে নিকট অতীতে প্রবৃদ্ধি, তাতে এই ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি যথেষ্ট না হলেও বিদ্যমান পরিস্থিতিতে তা খারাপ নয় বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

বাংলাদেশের জনমিতিক কাঠামো একটি বড় সুযোগ। প্রতিবছর ২০ লাখের বেশি তরুণ শ্রমবাজারে প্রবেশ করছেন। কর্মক্ষম জনসংখ্যা মোট জনসংখ্যার প্রায় ৬৮ শতাংশ। এ সুবিধা ২০৩০ সাল পর্যন্ত থাকবে।

ক্ষমতায় গেলে রাজধানীর ইডেন মহিলা কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ ও হোম ইকোনমিকস কলেজকে (বাংলাদেশ গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজ) একীভূত করে বিশ্বের সর্ববৃহৎ নারী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করবে জামায়াতে ইসলামী।

বাংলাদেশে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২৭ লাখের বেশি। এই বিশাল জনগোষ্ঠীকে যদি আধুনিক দক্ষতা, প্রযুক্তি ও বৈশ্বিক অর্থনীতির সঙ্গে যুক্ত করা না যায়, তাহলে শুধু একটি শিক্ষাধারাকেই নয়, জাতির সামগ্রিক উৎপাদনশীলতা ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনাকেই সীমিত করে ফেলা হবে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক গতি কমেছে। প্রবৃদ্ধি কমেছে, মূল্যস্ফীতি অনেক দিন ধরে উচ্চপর্যায়ে রয়েছে এবং ব্যাংক খাত খেলাপি ঋণের ভারে জর্জরিত হয়ে আছে। বেসরকারি ও বিদেশি বিনিয়োগ কম, সরকারি বিনিয়োগ অনেক ক্ষেত্রে অদক্ষ ও অপচয়মুখী, সরকারি ঋণ বেড়েছে, মানুষের প্রকৃত আয় কমছে এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি অনেক কমে গেছে। এসব কারণে অর্থনীতির ওপর দীর্ঘমেয়াদি চাপ তৈরি হয়েছে।

পরিবেশ নিয়ে কাজ করা কয়েকটি সংগঠন বলছে, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ মহাপরিকল্পনা দেশের অর্থনীতির জন্য বড় ঝুঁকি।

এই শতকের শুরুতে, যখন ভারত বিশ্ব অর্থনীতির এক উজ্জ্বল তারকা হিসেবে মাথাচাড়া দিচ্ছিল, তখন দেশটির অভ্যন্তরীণ অঞ্চলগুলোয় এক কালো ছায়া নেমে আসে। সেটি হলো মাওবাদী বিদ্রোহ।

তৈরি পোশাক শিল্পে খালেদা জিয়ার অবদান বিশেষভাবে স্মরণীয় বলে উল্লেখ করেন সিমিন রহমান।

মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘একই সময়ে সামাজিক উন্নয়নের ক্ষেত্রেও তাঁর (খালেদা জিয়া) কিছু উদ্যোগ খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল।’

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও রোবোটিকস প্রযুক্তি আগামী দশকে স্বাস্থ্যসেবা, অর্থনীতি ও মানবজীবনের মৌলিক ধারণায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনবে বলে ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন ইলন মাস্ক।

যত দূর মনে পড়ে, আমরা অর্থনীতি বা ব্যবসায় প্রশাসন পাঠকালে যখনই বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের কথা শুনেছি, তখন থেকেই জেনেছি রপ্তানি বাড়াতে স্থানীয় মুদ্রার অবমূল্যায়ন করতে হবে আর মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে মোক্ষম অস্ত্র হচ্ছে সুদের হার বৃদ্ধি।

জ্বালানি তেলের পাইপলাইন দেশের মোট ডিজেল চাহিদার বড় অংশ বহন করে। এতে বিঘ্ন ঘটলে জাতীয় অর্থনীতিতে প্রভাব পড়বে।