
কানাডাজুড়ে অমর একুশে ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত
যথাযোগ্য মর্যাদা, ভাবগাম্ভীর্য ও বিনম্র শ্রদ্ধার মধ্য দিয়ে কানাডাজুড়ে পালিত হয়েছে অমর একুশে ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২৬।

যথাযোগ্য মর্যাদা, ভাবগাম্ভীর্য ও বিনম্র শ্রদ্ধার মধ্য দিয়ে কানাডাজুড়ে পালিত হয়েছে অমর একুশে ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২৬।

অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে প্রবাসীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে উদ্যাপিত হলো ‘রোজা ও ঈদ মেলা ২০২৬’। গত ১৫ ফেব্রুয়ারি মাউন্ট ড্রুইটের কেভিন বেটস স্টেডিয়ামে আয়োজিত এই মেলায় স্থানীয় বাংলাদেশি ছাড়াও সিডনির বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সমবেত হন অনেক মানুষ।

যথাযথ মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মাধ্যমে গতকাল শনিবার সকালে (২১ ফেব্রুয়ারি) ‘শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২৬’ পালিত হয়েছে।

২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের ১৩তম বার্ষিক পালনে ক্যানবেরার আইকনিক স্থাপত্য ন্যাশনাল ক্যারিলনে বেজে ওঠে ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি...’।

সুনামগঞ্জ জেলা অ্যাসোসিয়েশন ইন স্পেনের বহুল কাঙ্ক্ষিত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

এমন কেউও আছেন, যাঁরা সারা জীবন নিজ ভূমিতে বাস করে নিজের ভাষায় কাজ করেও সীমান্ত পেরিয়ে ভিনভাষীদের মধ্যেও স্বীকৃতি পেয়েছেন, সম্মানিত হয়েছেন। এতে মনে হয়, মাতৃভাষার চর্চা বিফলে যায় না। এমনই চারজনের কথা সংক্ষেপে এখানে তুলে ধরা হবে।

নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ড আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২৬ উদ্যাপন করা হয়েছে।

অর্থনীতিবিদদের একটি অংশ দীর্ঘদিন ধরে সতর্ক করে আসছেন—অনানুষ্ঠানিক ও অবৈধ অর্থপ্রবাহ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর অগ্রগতি না এলে দৃশ্যমান প্রবৃদ্ধির স্থায়িত্ব ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।

খোলা আকাশের নিচে সেই সাদা উঠানে বসে যখন সন্ধ্যার মৃদু বাতাস গাল ছুঁয়ে যায়, তখন মনে হয়, এ যেন পৃথিবীর কোলাহল থেকে বিচ্ছিন্ন কোনো প্রশান্ত দ্বীপ। কেউ কোরআন তিলাওয়াত করছেন, কেউ তসবিহ পাঠে নিমগ্ন, কেউ নীরবে দোয়ার হাত তুলেছেন।

অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে একুশের অবিনাশী চেতনাকে ধারণ করে উদ্যাপিত হলো বর্ণাঢ্য ‘একুশে মেলা ২০২৬’।

কোনো ব্যাংক বা সরকারি প্রতিষ্ঠানে গেলে আমি বিস্ময়ে তাকিয়ে থাকতাম—কেউ কারও আগে যাওয়ার চেষ্টা করে না, লাইনে দাঁড়ানো যেন তাদের রক্তে মিশে আছে। পেশিশক্তি নয়, নিয়মই সেখানে শেষ কথা।

ভোটারদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা ছিল অবাধ ভোটাধিকার প্রয়োগের নিশ্চয়তা। এবারের নির্বাচনে সহিংসতা তুলনামূলকভাবে কম হওয়া এবং ভোটকেন্দ্রে উপস্থিতির হার সন্তোষজনক থাকা জন–আস্থার একটি ইতিবাচক ইঙ্গিত বহন করে।