
ভেনেজুয়েলার তেল বেচার অর্থ কাতারের ব্যাংকে, ট্রাম্পের কী উদ্দেশ্য
ভেনেজুয়েলা দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বের বিভিন্ন পশ্চিমা সরকারের নিষেধাজ্ঞার মুখে আছে। ফলে দেশটি কার্যত বৈশ্বিক ব্যাংকিং ব্যবস্থা থেকে ছিটকে পড়েছে।

ভেনেজুয়েলা দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বের বিভিন্ন পশ্চিমা সরকারের নিষেধাজ্ঞার মুখে আছে। ফলে দেশটি কার্যত বৈশ্বিক ব্যাংকিং ব্যবস্থা থেকে ছিটকে পড়েছে।

ট্রাম্প বলেন, তিনি গ্রিনল্যান্ডকে ‘নিরাপদ’ করতে চান। বাস্তবে তিনি চান এর খনিজ সম্পদ এবং আমেরিকাকে আবার বড় করতে।

তেল কোম্পানিগুলো সতর্ক। তারা মনে করছে, বড় ধরনের বিনিয়োগে যাওয়ার আগে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি।

মাদক-সন্ত্রাস মামলায় নিউইয়র্কে বিচারের মুখোমুখি করা হয়েছে প্রেসিডেন্ট মাদুরোকে।

বড় সংকট এড়াতে কিউবাকে দ্রুত ওয়াশিংটনের সঙ্গে চুক্তিতে আসার পরামর্শ দিয়েছেন ট্রাম্প।

প্রয়াত প্রেসিডেন্ট হুগো চাভেজের সরকার ২০০৪ থেকে ২০০৭ সালের মধ্যে ভেনেজুয়েলায় তেলশিল্পকে জাতীয়করণ করে।

যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, সশস্ত্র আধা সামরিক গোষ্ঠীগুলো মার্কিন নাগরিকদের খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে—এমন খবর পাওয়া গেছে।

ভারতের সংবাদ সংস্থা আইএএনএসের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, তারা ভারতকে একটি নতুন ব্যবস্থার মাধ্যমে ভেনেজুয়েলা থেকে তেল কেনার অনুমতি দেবে।

ভেনেজুয়েলায় ‘অপারেশন অ্যাবসলিউট রিজলব’ (পরম সমাধানের খোঁজে অভিযান) এর পর মনে হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের লক্ষ্য ইরান।

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি এবং ট্রাম্প যেভাবে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি সামাল দিচ্ছেন, তাতে সাধারণ ভোটাররা আগে থেকেই অসন্তুষ্ট।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ভেনেজুয়েলার তেলশিল্পে যদি মার্কিন কোম্পানিগুলো আবার প্রবেশের সুযোগ পায়, তবে বিশ্বের মোট তেল উৎপাদনের অর্ধেকের বেশি নিয়ন্ত্রণ করবে যুক্তরাষ্ট্র।

এক্সনের প্রধান নির্বাহী ড্যারেন উডস বলেন, ভেনেজুয়েলায় তাঁদের সম্পদ অতীতে দুবার জব্দ হয়েছে। ফলে তৃতীয়বার সেখানে বিনিয়োগ করতে হলে বড় ধরনের কাঠামোগত পরিবর্তন অপরিহার্য।