
জামায়াতে ইসলামীসহ ১০–দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের সঙ্গে যুক্ত হলো লেবার পার্টি
জামায়াতে ইসলামীসহ ১০টি রাজনৈতিক দলের নির্বাচনী ঐক্যের সঙ্গে বাংলাদেশ লেবার পার্টি যুক্ত হয়েছে।

জামায়াতে ইসলামীসহ ১০টি রাজনৈতিক দলের নির্বাচনী ঐক্যের সঙ্গে বাংলাদেশ লেবার পার্টি যুক্ত হয়েছে।

ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতিতে এবারের নির্বাচনে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তি হিসেবে সামনে এসেছে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১০-দলীয় নির্বাচনী ঐক্য।

ফেনী-২ (সদর) আসনে ‘১০-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের’ প্রার্থী ও আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, ‘নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড এখনো নিশ্চিত হয়নি। আমরা এ কথাটা বারবার বলছি।’

চট্টগ্রাম-৮ আসনে ১০-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী এনসিপির মো. জোবাইরুল হাসান আরিফ। তবে এ আসনে জামায়াতের প্রার্থী মো. আবু নাছের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেননি। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার না করায় দলীয় প্রতীক দাঁড়িপাল্লা বরাদ্দ পেয়েছেন। তাঁর প্রতিনিধি আজ বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে রিটার্নিং কর্মকর্তা বিভাগীয় কমিশনারের কাছ থেকে প্রতীক বরাদ্দ নেন।

ফেনীতে প্রতীক বরাদ্দ পেলেন ১০–দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৮ (চান্দগাঁও-বোয়ালখালী) আসনটি ১০-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের শরিক এনসিপির জন্য ছাড় দেওয়ার কথা থাকলেও মনোনয়ন প্রত্যাহার করেননি জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী। এ বিষয়ে গতকাল মঙ্গলবার রাত ১০টায় নগরের বহদ্দারহাট এলাকার একটি রেস্তোরাঁয় এনসিপি প্রার্থীকে নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

জামায়াতে ইসলামীসহ ১০–দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের আসন সমঝোতা অনেকটাই চূড়ান্ত হয়ে গেছে।

জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যে থাকা জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সমঝোতায় পাওয়া ৩০টি আসনের মধ্যে ২৭টিতে প্রার্থী ঘোষণা করেছে।

ইসলামী আন্দোলন আলাদা হয়ে যাওয়ায় এখন ওই ৪৭ আসনে হিস্যা চায় এই ‘নির্বাচনী ঐক্যে’ থাকা অন্য দলগুলো। এ নিয়ে তাদের মধ্যে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

ইসলামী আন্দোলন চলে যাওয়ায় ঐক্যে এনসিপির আসন বাড়ার সম্ভাবনা দেখছে এনসিপি।

জামায়াতে ইসলামীসহ ১১টি রাজনৈতিক দলের নির্বাচনী ঐক্যে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি)।

১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম।