গুম করে লাশ ফেলা হয় বরিশালের বলেশ্বর নদ ও বরগুনার পাথরঘাটায়
গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার আগে আওয়ামী লীগের দেড় যুগের শাসনকালে গুম করে হত্যার পর অনেক ব্যক্তির লাশ ফেলা হয়েছে বরিশালের বলেশ্বর নদে ও বরগুনার পাথরঘাটায়।
গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার আগে আওয়ামী লীগের দেড় যুগের শাসনকালে গুম করে হত্যার পর অনেক ব্যক্তির লাশ ফেলা হয়েছে বরিশালের বলেশ্বর নদে ও বরগুনার পাথরঘাটায়।
২০১৩ সালে গুম হওয়া সূত্রাপুর থানা ছাত্রদল নেতা খালেদ হাসান সোহেলের ছেলে মো. সাদমান শিহাব এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ায় তাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তারেক রহমান।
আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালে সাংবাদিক পরিচয়ে যাঁরা গণহত্যা, ভোট চুরি, গুম, খুন, ব্যাংক ডাকাতির বৈধতা এবং সম্মতি উৎপাদন করেছেন, সেসব সাংবাদিক ও গণমাধ্যমের বিরুদ্ধে কী ধরনের আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তা জানতে চেয়েছেন এনসিপির সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেছেন, গুম অধ্যাদেশ অপ্রয়োজনীয় ছিল কারণ এই অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনেই সংবিধিবদ্ধ ছিল। তিনি সংসদে পাস হওয়া আইনের সংশোধনীর জন্য আইনমন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। এই সিদ্ধান্তকে তিনি যৌক্তিক বলে মন্তব্য করেছেন।
গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে পাস না হলে অকার্যকর হয়ে যাবে। এতে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের স্বাধীনতা ও গুমের বিচার নিশ্চিত করার প্রক্রিয়া ব্যাহত হবে। সরকার নতুন বিলের প্রতিশ্রুতি দিলেও আস্থা ফিরবে না।
এ মামলায় সূচনা বক্তব্য উপস্থাপনের তারিখ ধার্য করা হয়েছে আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি।
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে টিএফআই সেলে গুম করে রাখার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের এই মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ আসামি ১৭ জন।
বুধবার জাতীয় শিল্পকলা একাডেমিতে আবৃত্তি উৎসবে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান গুমের শিকার মানুষের স্বজনদের প্রতীক্ষার কথা এবং বিগত শাসনামলের বিভিন্ন বিষয়ে বক্তব্য দেন। পাশাপাশি আবৃত্তির প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতির উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন তিনি।
আজ শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে ‘প্রতিকার ও পুনর্বাসনের অধিকার’ শীর্ষক জাতীয় সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মির্জা ফখরুল এ কথাগুলো বলেন।
গুমের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় আসামিপক্ষকে র্যাব সদর দপ্তরের টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন (টিএফআই) সেল পরিদর্শনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
২২৯ পৃষ্ঠার প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে সরকার। এতে রয়েছে ভুক্তভোগীদের বর্ণনা ও বিভিন্ন বাহিনীর কর্মকর্তাদের অপরাধের প্রমাণ।