
কর্তৃত্ববাদী ব্যবস্থা যেভাবে সামাজিক সম্পর্কগুলো বদলে দেয়
জনপরিসরে যখন যুক্তিনির্ভর বিতর্ক ও সহনশীলতার চর্চা হওয়ার কথা, তা প্রায়ই ক্ষমতাশীলদের নিয়ন্ত্রণের পরিসরে রূপ নিচ্ছে, যা গণতন্ত্রের জন্য একটি গভীর সংকটের পূর্বাভাস।

জনপরিসরে যখন যুক্তিনির্ভর বিতর্ক ও সহনশীলতার চর্চা হওয়ার কথা, তা প্রায়ই ক্ষমতাশীলদের নিয়ন্ত্রণের পরিসরে রূপ নিচ্ছে, যা গণতন্ত্রের জন্য একটি গভীর সংকটের পূর্বাভাস।

প্রবাসীদের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা বাংলাদেশের গণতন্ত্রের জন্য একটি ঐতিহাসিক অগ্রগতি। তবে সম্প্রতি একটি ভাইরাল ভিডিও নতুন এই ব্যবস্থাকে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে এসেছে।

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসের গণ-অভ্যুত্থানে দীর্ঘদিনের আওয়ামী শাসনের পতনের পর বাংলাদেশ এখন একটি সংকটময় সন্ধিক্ষণে এসে দাঁড়িয়ে আছে।

বিএনপির ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল শাখার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা বক্তব্য দেন।

আমরা দেখছি, কিছু রাজনৈতিক দল ও এর নেতারা মিছিলে মিছিলে ফাঁসি চাচ্ছেন,‘জবাই কর’ ধরনের স্লোগানকে স্বাভাবিক করছেন। এর ফলে সমাজে মানুষ মনে করতে থাকে, রাজনৈতিক সমস্যার সমাধান মানেই কাউকে খতম করে দেওয়া।

স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে রাজপথ গণতন্ত্রের প্রধান অস্ত্র ছিল। কিন্তু গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় রাজপথ নিয়মিত রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার কেন্দ্র হতে পারে না।

২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর এটি হবে প্রথম জাতীয় ভোটাভুটি, যা শেখ হাসিনার দীর্ঘ শাসনের অবসানের পর দেশের গণতান্ত্রিক পুনর্গঠনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।

২০০২ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত কারাকাসে জর্জ ডব্লিউ বুশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করা চার্লস শাপিরো বলেন, তারা গণতন্ত্রের চেয়ে স্থিতিশীলতাকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে।

‘গণতন্ত্র’ ধারণাটিকে আমরা সাধারণত রাজনৈতিক গণতন্ত্রের সঙ্গেই সমার্থক মনে করি।

সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘এখন আমরা কী চাইছি? সেই অবস্থাতে ফিরতে চাচ্ছি? গণতন্ত্রের কথা বলে আমরা একনায়কতন্ত্রের দিকে যাচ্ছি কি না।’

আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, গণতন্ত্রের মশাল শহীদ জিয়ার হাতে শুরু হয়েছিল, তা দীর্ঘ সময় বহন করেছেন খালেদা জিয়া। এখন সেই মশাল তারেক রহমানের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।
