
দেশে ১০–১৫টি ব্যাংকই যথেষ্ট: গভর্নর
আহসান এইচ মনসুর বলেন, ব্যাংক খাতের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো সুশাসনের ব্যর্থতা। সরকার ও প্রভাবশালী ব্যক্তি বা পরিবারের নির্দেশে ঋণ দেওয়া হয়েছে।

আহসান এইচ মনসুর বলেন, ব্যাংক খাতের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো সুশাসনের ব্যর্থতা। সরকার ও প্রভাবশালী ব্যক্তি বা পরিবারের নির্দেশে ঋণ দেওয়া হয়েছে।

শিক্ষকতার পাশাপাশি তাঁদের অনেকেই আয় বাড়ানোর জন্য গাভি পালন, গরু মোটাতাজাকরণ, হাঁস-মুরগি পালন, মৎস্য চাষ, নার্সারি স্থাপন, ক্ষুদ্র ব্যবসা পরিচালনাসহ বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে নিজেদের সম্পৃক্ত রাখেন।

রপ্তানিমুখী ও স্থানীয় জাহাজনির্মাণ শিল্পের ঋণ পুনঃ তফসিল ও পুনর্গঠনে বিশেষ নীতিমালা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এতে মাত্র দেড় শতাংশ অর্থ জমা দিয়ে ঋণ নবায়ন করতে পারবেন এ খাতের উদ্যোক্তারা।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক গতি কমেছে। প্রবৃদ্ধি কমেছে, মূল্যস্ফীতি অনেক দিন ধরে উচ্চপর্যায়ে রয়েছে এবং ব্যাংক খাত খেলাপি ঋণের ভারে জর্জরিত হয়ে আছে। বেসরকারি ও বিদেশি বিনিয়োগ কম, সরকারি বিনিয়োগ অনেক ক্ষেত্রে অদক্ষ ও অপচয়মুখী, সরকারি ঋণ বেড়েছে, মানুষের প্রকৃত আয় কমছে এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি অনেক কমে গেছে। এসব কারণে অর্থনীতির ওপর দীর্ঘমেয়াদি চাপ তৈরি হয়েছে।

আপিল শুনানির শেষ দিনে ঋণ খেলাপি এবং দ্বৈত নাগরিকত্ব–সংক্রান্ত বিষয়ে কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ প্রার্থীর মনোনয়ন নিয়ে রায়ের দিন ধার্য ছিল।

প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বৈধ বা অবৈধ ঘোষণার ক্ষেত্রে ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকত্বের বিষয়ে নির্বাচন কমিশন (ইসি) পক্ষপাতিত্ব করছে বলে অভিযোগ করেছে জামায়াতে ইসলামী।

প্রার্থিতা-সংক্রান্ত আপিলের শুনানিতে নির্বাচন কমিশন (ইসি) প্রায় প্রত্যেক দ্বৈত নাগরিক ও ঋণখেলাপিকে ছাড় দিয়ে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বৈধতা দিয়েছে বলে অভিযোগ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।

এরই মধ্যে ৯টি আর্থিক প্রতিষ্ঠান অবসায়ন বা বন্ধের প্রক্রিয়া শুরু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এসব প্রতিষ্ঠানের খেলাপি ঋণ ৯৯ শতাংশ পর্যন্ত।

ব্র্যাক ব্যাংক ‘রিয়েল-টাইম ডিজিটাল লিটিগেশন টুল’ চালু করেছে। এ সিস্টেমের আওতায় ফ্রন্টলাইন কর্মীরা মোবাইল-এনাবলড্ ডিজিটাল ট্যাব ব্যবহার করবেন, যার মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে মাঠপর্যায়ের মামলার তথ্য ও হালনাগাদ অবস্থা জানা যাবে।

শুনানির শেষ দিনটিকে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জন্য ‘রেড লাইন’ আখ্যা দিয়েছে এনসিপি।

ঢাকার কেরানীগঞ্জে শিক্ষিকার ফ্ল্যাট থেকে অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার হওয়া মা-মেয়েকে বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) থেকে নেওয়া ঋণের কিস্তি পরিশোধ নিয়ে কথা–কাটাকাটির জেরে হত্যা করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

রাজশাহীর বাঘা, চারঘাট, পবা, মোহনপুর ও তানোর উপজেলার গ্রামগুলোতে ঋণের জালে পিষ্ট হওয়া মানুষের যে হাহাকার উঠছে, তা ক্ষুদ্রঋণ বিতরণে অব্যবস্থাপনা এবং ঋণসুবিধার অপব্যবহারকে আবারও সামনে এনেছে।