
বিশ্ববিদ্যালয়ের ছায়ায় হারিয়ে যাওয়া শৈশব
একটি প্রশ্নেই লুকিয়ে আছে সমাজের অসহায়তা। একটি বিশ্ববিদ্যালয়, যার মূল উদ্দেশ্য জ্ঞানচর্চা, মানবিক মূল্যবোধ আর সামাজিক দায়বদ্ধতা তৈরি করা, তার ভেতরেই একটি শিশু কাজ করতে বাধ্য হচ্ছে।

একটি প্রশ্নেই লুকিয়ে আছে সমাজের অসহায়তা। একটি বিশ্ববিদ্যালয়, যার মূল উদ্দেশ্য জ্ঞানচর্চা, মানবিক মূল্যবোধ আর সামাজিক দায়বদ্ধতা তৈরি করা, তার ভেতরেই একটি শিশু কাজ করতে বাধ্য হচ্ছে।

সাত সদস্যের বেটুস সংগঠনটির লক্ষ্য শুধু ঘোরাঘুরি নয়। বেটুস চায় আবহমান বাংলার রূপ ও প্রকৃতি দেখতে, লোকসংস্কৃতি জানতে ও গ্রামীণ মানুষের জীবন ছুঁয়ে দেখতে। ভ্রমণ এখানে শুধু বিনোদন নয়; বরং ভ্রমণ মানে শেখা, বোঝা আর অনুভব করা। ভ্রমণ মানে সৃষ্টিকে দেখা। সৃষ্টির রহস্য জানা।

নিঃসন্দেহে জুলাই সনদ ফ্যাসিবাদ দূরীকরণে আওয়ামী লীগ ছাড়া সর্বসম্মতিক্রমে প্রস্তাবিত এযাবৎকালের বড় প্রেসক্রিপশন। যেটি বাস্তবায়নে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে গোলাপি ব্যালটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ গণভোটের মাধ্যমে পাবলিক ম্যান্ডেট নেওয়া হবে।

কয়েকটা দিন ভালোই ছিলাম, জানতে চাইনি পৃথিবী কেমন চলছে। দেশ আর বিশ্বের রাজনৈতিক পটভূমি কিছুই মনে আসেনি। কাবা শরিফে কয়েকজন আরব ডেকে ইংরেজিতে জিজ্ঞেস করেছিল, ‘কোথা থেকে এসেছেন?’ উত্তর দিয়ে পাল্টা প্রশ্ন করলাম, ‘তোমরা?’ উত্তর, ‘ইরান।’ অজান্তেই বলেছিলাম, ‘তোমরা সাহসী, তোমাদের সাহস সুপারসনিক মিসাইলগুলোর মতো চমৎকার।’ ওরা খুশি হয়েছিল কি না বোঝা যায়নি।

খাওয়ার সময় এক যুবক সালাম দিয়ে ইংরেজিতে জানাল, ইয়েমেন থেকে মাসহ ওমরাহয় এসেছে। তাদের সব চুরি হয়েছে। দেশে ফিরে যেতে পারছে না। একটা চিকেন খেতে দিয়ে অর্থিক সাহায্যে অপারগতা প্রকাশ করলাম। তৎক্ষণাৎ সে চলে গেল। পরে জানলাম, একশ্রেণির মানুষের এটা ব্যবসা। মন খারাপ হলো।

বাড়ি ভাড়া নামের নীরব যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে এখন প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই পরিকল্পনা। রাজউক ও জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষকে কেবল উচ্চবিত্তের জন্য প্লট বরাদ্দ না দিয়ে সাধারণ মানুষের জন্য সাশ্রয়ী ভাড়ার ফ্ল্যাট প্রকল্প বাড়াতে হবে।

ফোনের ওপাশ থেকে বলল, আমি চিকিৎসক ইমরান বলছি। ইউনাইটেড হাসপাতাল থেকে। ফাহিমের অবস্থা খুবই খারাপ। শিগগির কাউকে পাঠান।

হোটেলের প্রবেশমুখে এখনো আস্তানা গেড়েছে বেশ কিছু বিড়াল, সংখ্যায় পনেরো-বিশের কম হবে না। কোন মানুষ হেঁটে যাওয়ার সময় করুণ গলায় মিও মিও করছে, দেখলে মায়া লাগে। এত দিন হোটেলের উচ্ছিষ্ট খেয়ে তাদের চলে যেত, এখন হয়তো মঙ্গা ভর করেছে তাদের পৃথিবীজুড়ে।

তোমরা যতই বলো ‘খাতার গাট্টি’, তাতে আমার কিছুই যায় আসে না। প্রচণ্ড শীতে খাতা মুড়ি দিয়ে ডেকের কড়া লিকারের চায়ে টোস্ট বিস্কুট ডুবিয়ে খেতে চাই, ভাতের সঙ্গে ডাল-চড়চড়ি খেয়ে তৃপ্তির ঢেকুর তুলতে চাই।

ক্লক টাওয়ার একবার ডানে হারায়, একবার বাঁয়ে হারায়। এভাবে লুকোচুরি খেলতে খেলতে আমাদের গাড়ি পৌঁছে গেল নির্দিষ্ট গন্তব্যে। আমাদের হোটেল ঠিক করা আছে ইব্রাহিম খলিল রোডের কবুতর মাঠের সামনে।

এই রিসোর্টের মালিক বাঙালি, ‘ঋদ্ধি চৌধুরী’। বয়স চল্লিশের কোঠায়, শান্তমুখ, আত্মবিশ্বাসী মন। এক অদ্ভুত দৃঢ়তা, যা জন্মেছে জীবনের কঠিন বাস্তবতা থেকে।

বাবা সোফায় বসে রইলেন। মেয়েকে স্কুলে নামিয়ে দেবেন অফিসে যাওয়ার সময়। বাবার সঙ্গে মেয়ে কথা বলতে বলতে স্কুলে যাচ্ছে, এ এক মুগ্ধতা জাগানিয়া দৃশ্য!