
নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে, সহিংসতা তত বাড়ছে: আসক
নির্বাচনের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, দেশের রাজনীতির মাঠ ও নির্বাচনী পরিবেশ ততই সহিংস হয়ে উঠছে বলে উল্লেখ করেছে মানবাধিকার ও আইনগত সহায়তা সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)।

নির্বাচনের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, দেশের রাজনীতির মাঠ ও নির্বাচনী পরিবেশ ততই সহিংস হয়ে উঠছে বলে উল্লেখ করেছে মানবাধিকার ও আইনগত সহায়তা সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, অন্যান্য জাতীয় নির্বাচনের তুলনায় এ বছর সহিংসতার হার অনেক কম।

শেরপুরে নির্বাচনী সহিংসতায় শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি রেজাউল করিম হত্যার ঘটনায় হওয়া মামলায় স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।

একই সহিংসতায় একাধিক দল সম্পৃক্ত থাকার কথাও জানায় টিআইবি।

গত বছর (২০২৫ সালে) সারা দেশে ৪০১টি রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনায় ১০২ জন নিহত হয়েছেন।

বাংলাদেশের ইতিহাসে নির্বাচনের সময়গুলোতে সাম্প্রদায়িক ও রাজনৈতিক সহিংসতা বেড়ে যাওয়ার নজির রয়েছে।

রোববার কক্সবাজারের মহেশখালী পৌরসভা এলাকায় গণসংযোগকালে হামিদুর রহমান আযাদ এ মন্তব্য করেন।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ১৯৯১ সাল থেকে এখন পর্যন্ত সব নির্বাচনেই সহিংসতা হয়েছে।

প্রার্থীরা উন্নয়নের নানা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। কিন্তু ভোটারদের মনে উন্নয়নের চেয়ে বেশি চিন্তা এ অঞ্চলের স্থিতিশীলতা নিয়ে।

সহিংসতা সবচেয়ে বেশি ‘বিনা ভোটের’ নির্বাচনে

নির্বাচনে সহিংসতা বাংলাদেশে নতুন নয়। গত পাঁচটি সংসদ নির্বাচনের হিসাবে চোখ রাখলে দেখা যায়, তাতে অন্তত ১৬৫ জন মারা গেছেন। আহত ব্যক্তির সংখ্যা ৩ হাজার ৬৫৭ জন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি সহিংসতা হয়েছিল ২০১৪ সালের দশম সংসদ নির্বাচনে।

নির্বাচনী প্রচারণাকে কেন্দ্র করে এ ধরনের সংঘর্ষ ও প্রাণহানি দুঃখজনক ও অপ্রত্যাশিত। এ ছাড়া বিভিন্ন আসনে নির্বাচনী প্রচারে বাধা দেওয়া, মারধর, ভয়ভীতি প্রদর্শন, নির্বাচনী কার্যালয়ে ভাঙচুরসহ বিভিন্ন সহিংসতার প্রবণতা বাড়ছে।