
গণমাধ্যম ও সম্প্রচার কমিশনের খসড়া অধ্যাদেশ নিয়ে উদ্বেগ
অন্তর্বর্তী সরকার হঠাৎ করে জাতীয় গণমাধ্যম কমিশন ও সম্প্রচার কমিশন অধ্যাদেশের দুটি খসড়া প্রকাশ করা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে আর্টিকেল নাইনটিন।

অন্তর্বর্তী সরকার হঠাৎ করে জাতীয় গণমাধ্যম কমিশন ও সম্প্রচার কমিশন অধ্যাদেশের দুটি খসড়া প্রকাশ করা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে আর্টিকেল নাইনটিন।

সত্যের সঙ্গে মিথ্যা মিশিয়ে তথ্য প্রচার বড় ঝুঁকি বয়ে আনছে।

সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এই সংহতি জানানো হয়।

বাংলাদেশ এখন গণমাধ্যম পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। প্রস্তাবিত সম্প্রচার অধ্যাদেশ ২০২৬ এবং জাতীয় গণমাধ্যম কমিশন অধ্যাদেশ ২০২৬ সেই বাস্তবতাকেই সামনে এনেছে।

রোববার গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে তাঁরা এই প্রতিবাদ জানান।

ভবিষ্যৎ সরকারগুলো অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে বাংলাদেশে মুক্ত গণমাধ্যমের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ তৈরিতে সহায়ক হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন দ্য ডেইলি স্টার সম্পাদক ও প্রকাশক মাহফুজ আনাম।

তাড়াহুড়া করে গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের সুপারিশ উপেক্ষা করে আলাদা দুটি কমিশন গঠনের উদ্যোগ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদের একেবারে শেষ প্রান্তে এসে জাতীয় গণমাধ্যম কমিশন গঠনের উদ্যোগ।

আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই স্থগিতের সিদ্ধান্ত জানায় বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ)।

গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদন জমা দেওয়ার ১০ মাসেও কোনো সুপারিশ বাস্তবায়ন করা হয়নি।

সংলাপে আলোচনায় একাধিকবার মুক্তকণ্ঠ ও ডেইলি স্টার–এর কার্যালয়ে হামলা–অগ্নিসংযোগের প্রসঙ্গ আসে।

গানের সুর, কবিতার ছন্দ ও দৃপ্ত কথামালায় আবহমান বাংলার সংস্কৃতি, গণমাধ্যম ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ওপর আক্রমণের প্রতিবাদ জানানো হলো গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ছায়ানট সংস্কৃতি–ভবন মিলনায়তনে।