গণমাধ্যম: ‘নিয়ন্ত্রণযন্ত্র’ নয়, প্রয়োজন স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন
বাংলাদেশের গণমাধ্যমের সবচেয়ে বড় সংকট নিয়ন্ত্রণের অভাব নয়, বরং সংকট হলো আস্থা, স্বচ্ছতা, পেশাগত নিরাপত্তা এবং জবাবদিহিমূলক প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর অভাব।
বাংলাদেশের গণমাধ্যমের সবচেয়ে বড় সংকট নিয়ন্ত্রণের অভাব নয়, বরং সংকট হলো আস্থা, স্বচ্ছতা, পেশাগত নিরাপত্তা এবং জবাবদিহিমূলক প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর অভাব।
বাংলাদেশ এখন গণমাধ্যম পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। প্রস্তাবিত সম্প্রচার অধ্যাদেশ ২০২৬ এবং জাতীয় গণমাধ্যম কমিশন অধ্যাদেশ ২০২৬ সেই বাস্তবতাকেই সামনে এনেছে।
গণমাধ্যম ও সাংবাদিকদের জন্য নীতিমালা প্রণয়নের চলমান কাজে সম্পাদকদের সহযোগিতা কামনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী।
বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে গণমাধ্যম খাতে সহযোগিতা জোরদারে চারটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে।
জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের রূপরেখা প্রণয়নে ঢাকার ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে আয়োজিত কর্মশালায় তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনের অংশগ্রহণ ও বক্তব্য।
গণমাধ্যম সংস্কারে সরকার সব পক্ষকে সঙ্গে নিয়ে এগোতে চায় বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।
‘বাংলাদেশ জার্নালিজম কনফারেন্স ২০২৬’ উদ্বোধনে ইউনেসকোর প্রতিনিধি সুজান ভাইস বলেন, গণমাধ্যম এখন পরিবর্তনের সুযোগের সন্ধিক্ষণে। টিআইবি নির্বাহী ইফতেখারুজ্জামান বিশ্বব্যাপী সাংবাদিকতার ঝুঁকির কথা তুলে ধরেন। বিভিন্ন বক্তা স্বাধীন গণমাধ্যমের গুরুত্ব ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা করেন।
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন জানান, একটি স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনে সরকার উদ্যোগ নিচ্ছে।
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম মানুষের মনোজগৎ গঠনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বিসিটিআই-এর ছয়টি স্বল্পমেয়াদি কোর্সের উদ্বোধনে তিনি নৈতিক নিয়ন্ত্রণের ওপর জোর দেন। চলচ্চিত্রের শক্তিকে মানবতার কল্যাণে ব্যবহারের আহ্বান জানান।
অন্তর্বর্তী সরকার হঠাৎ করে জাতীয় গণমাধ্যম কমিশন ও সম্প্রচার কমিশন অধ্যাদেশের দুটি খসড়া প্রকাশ করা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে আর্টিকেল নাইনটিন।
তাড়াহুড়া করে গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের সুপারিশ উপেক্ষা করে আলাদা দুটি কমিশন গঠনের উদ্যোগ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদের একেবারে শেষ প্রান্তে এসে জাতীয় গণমাধ্যম কমিশন গঠনের উদ্যোগ।