লাহোর হাইকোর্ট বাবর আজমের বিরুদ্ধে দায়ের করা আলোচিত যৌন হয়রানির মামলা বাতিলের লিখিত আদেশ জারি করেছেন। এর সঙ্গে বাবরের রিট আবেদনও গ্রহণ করা হয়েছে। সেই আবেদনে তিনি নিজের বিরুদ্ধে এফআইআর নথিভুক্ত করার সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করেন এবং ‘জাস্টিস অব দ্য পিস’-এর সেই নির্দেশের বিরোধিতা করেন, যার ভিত্তিতে এফআইআর করা হয়েছিল।

দ্য নেশনের খবরে বলা হয়, হামিজা মুখতার নামের এক নারীর আবেদনের ভিত্তিতে ‘জাস্টিস অব দ্য পিস’ বাবর আজমের বিরুদ্ধে এফআইআর নথিভুক্ত করার নির্দেশ দেন। সেই আবেদনে হামিজা অভিযোগ করেন, বাবর তাঁকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন এবং পরে তিনি গর্ভবতী হয়ে পড়েন।

আদালত এই মামলায় ৮ পৃষ্ঠার লিখিত আদেশ দেন। বিচারপতি আসজাদ জাভেদ ঘারাল মামলার কার্যক্রম পরিচালনা করেন। আদেশে বলা হয়, উভয় পক্ষের বক্তব্য ও নথি পর্যালোচনা করে আদালত মনে করেছেন যে বাবরের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। শুনানি শেষে ‘জাস্টিস অব দ্য পিস’-এর আগের আদেশও বাতিল করা হয়।

এছাড়া আদালত বলেন, ‘জাস্টিস অব দ্য পিস’ যথাযথ যাচাই-বাছাই ছাড়াই এফআইআর-এর নির্দেশ দিয়েছিলেন, যা আইনি দৃষ্টিকোণ থেকে ত্রুটিপূর্ণ।

লাহোর হাইকোর্টের এই রায়ের ফলে বাবর আজমের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানি ও ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ আইনত শেষ হয়েছে। সব অভিযোগ থেকে অব্যাহতি পেয়ে তিনি এখন কোনো আইনি ঝামেলা ছাড়াই ক্রিকেটে সম্পূর্ণ মন দিতে পারবেন।